📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিইউপি আইন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত

বিইউপি আইন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি প্রফেশনালসের (বিইউপি) আইন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে। তারা তিন ধাপের পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি প্রফেশনালসের (বিইউপি) আইন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে। এই সফলতা অর্জনের পথে তারা প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার তিন ধাপের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করেছেন। এই পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন মো. তাওহীদুজ্জামান, মেহেদী হাসান সরকার, নুযহাত ইসলাম, আরনাব সানজারাহ ইলমা এবং তাহছিনা জামান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিইউপি আইন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত
  • 📌 মো. তাওহীদুজ্জামান ৭৮তম মেধাক্রমে, মেহেদী হাসান সরকার ৬৪তম এবং নুযহাত ইসলাম ৪২তম মেধাক্রমে সুপারিশপ্রাপ্ত
  • 📌 মো. তাওহীদুজ্জামান বরিশালের ঝালকাঠি জেলার নলছিটির সন্তান, মেহেদী হাসান সরকার কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের বাসিন্দা
  • 📌 মেহেদী হাসান সরকারের এই সফলতা তিনি তার মরহুম বন্ধু সামিউল হক অর্ণবকে উৎসর্গ করেছেন
  • 📌 নুযহাত ইসলামের পিতা ইঞ্জিনিয়ারিং পেশা চেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি আইন বিভাগে পড়াশোনা করে সফলতা অর্জন করেছেন

📰 বিস্তারিত

বিইউপি আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. তাওহীদুজ্জামান ৭৮তম মেধাক্রম নিয়ে সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তিনি বরিশালের ঝালকাঠি জেলার নলছিটির সন্তান। এই সফলতা অর্জনের পেছনে তিনি তার মায়ের অবদানকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার জীবন নানা চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। আমাকে সব থেকে বেশি সাহস জোগান আমার মা। আমার এই সফলতায় আম্মুর মুখে যেই গর্বের হাসি দেখছি, এর থেকে সুন্দর কোনো অনুভূতি আর হয় না।’

মেহেদী হাসান সরকার কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে ৬৪তম মেধাক্রম নিয়ে সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তিনি এই সফলতা তার মরহুম বন্ধু সামিউল হক অর্ণবকে উৎসর্গ করেছেন, যিনি গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘নিজের ভালো লাগা কাজ করছে অবশ্যই, তবে আমার এই অর্জন আমার বন্ধু সামিউল হক অর্ণবকে উৎসর্গ করতে চাই।’

চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী নুযহাত ইসলামের ইচ্ছে ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করা। কিন্তু বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও তিনি আইন বিভাগে পড়াশোনা করে সফলতা অর্জন করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার আব্বুর খুব ইচ্ছা ছিল আমি বিচারক হব। অনেক উৎসাহ দিতেন।’

"আমার জীবন নানা চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। আমাকে সব থেকে বেশি সাহস জোগান আমার মা। আমার এই সফলতায় আম্মুর মুখে যেই গর্বের হাসি দেখছি, এর থেকে সুন্দর কোনো অনুভূতি আর হয় না।" — মো. তাওহীদুজ্জামান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝালকাঠি (বরিশাল), ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা), বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. তাওহীদুজ্জামান, মেহেদী হাসান সরকার, নুযহাত ইসলাম, আরনাব সানজারাহ ইলমা, তাহছিনা জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন শিক্ষার্থী, ১৮তম বিজেএস পরীক্ষা, ৭৮তম মেধাক্রম, ৬৪তম মেধাক্রম, ৪২তম মেধাক্রম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖