📌 বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) শিক্ষার্থীরা জায়ান্ট গ্রুপের কারখানা পরিদর্শনের পর বর্জ্য কাপড় থেকে ৩২টি পোশাক তৈরি করবেন। কারখানায় উৎপাদন প্রক্রিয়া ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা থেকে তারা সৃজনশীল নকশা তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছেন
বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) শিক্ষার্থীরা জায়ান্ট গ্রুপের নিটওয়্যার কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে বর্জ্য কাপড় থেকে নতুন পোশাক তৈরির সম্ভাবনা আবিষ্কার করেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারা ৩২টি পোশাক তৈরি করবেন, যা ফ্যাশন ডিজাইনের সৃজনশীলতা ও টেকসই উৎপাদনের মিশেলে পরিণত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩২টি পোশাক তৈরি করবেন বিইউএফটির শিক্ষার্থীরা বর্জ্য কাপড় থেকে — কারখানা পরিদর্শনের পর উদ্ভূত প্রকল্পের অংশ হিসেবে
- 📌 ১০ জন শিক্ষার্থী শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটিরও অংশগ্রহণ করে কারখানা পরিদর্শনে
- 📌 সার্কুলার টেক্সটাইল লিভিং ল্যাব প্রকল্প আওতায় কারখানায় উৎপাদন প্রক্রিয়া ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করা হয়েছে
- 📌 বর্জ্য কাপড় থেকে নতুন নকশা তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প ও আধুনিক ফ্যাশনের সমন্বয় ঘটাবেন
- 📌 টেকসই ফ্যাশন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকল্পটি নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) শিক্ষার্থীরা জায়ান্ট গ্রুপের কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে পোশাক উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে কীভাবে বর্জ্য তৈরি হয় এবং সেগুলো কীভাবে পুনর্ব্যবহার করা যায় — তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। কারখানায় নিটিং থেকে পোশাক তৈরির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে তারা দেখেছেন, কাপড় কাটার পর অবশিষ্ট টুকরাগুলো কীভাবে নতুন কাজে লাগানো যায়। শিক্ষার্থীরা শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের সম্ভাবনা ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছেন।
এই প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীরা বর্জ্য কাপড় ও অব্যবহৃত উপকরণ থেকে ৩২টি পোশাক তৈরি করবেন। নকশা ও নমুনা তৈরির মাধ্যমে তারা প্রমাণ করবেন, ফেলে দেওয়ার মতো মনে হওয়া কাপড়ের টুকরাও সৃজনশীল নকশায় নতুন পোশাকের উপকরণ হয়ে উঠতে পারে। এই উদ্যোগে গুরুত্ব পাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প ও আধুনিক নকশার সমন্বয়। শিক্ষার্থীরা কারুশিল্পের কৌশল কাজে লাগিয়ে অব্যবহৃত উপকরণকে নতুনভাবে ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।
‘সার্কুলার বাই ডিজাইন: আ সার্কুলার টেক্সটাইল লিভিং ল্যাব—বাংলাদেশ অ্যান্ড দ্য নেদারল্যান্ডস’ প্রকল্পটি বিইউএফটি ও নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেসের যৌথ উদ্যোগ। প্রকল্পটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিইউএফটির ফ্যাশন স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শর্মিলী সরকার। নেদারল্যান্ডসের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন টাইটাস ভ্যান ডার স্পেক। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে শিল্পের বাস্তব অভিজ্ঞতা মিলিয়ে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
"কারখানার উৎপাদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে সরাসরি ধারণা থাকলে নকশা তৈরির সময় উপকরণের প্রাপ্যতা ও ব্যবহারিক দিকগুলো বিবেচনায় নেওয়া সহজ হয়। এতে সৃজনশীল নকশার সঙ্গে বাস্তব উৎপাদনব্যবস্থার সংযোগও তৈরি হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জায়ান্ট গ্রুপের নিটওয়্যার কারখানা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিইউএফটি শিক্ষার্থী, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থী, শর্মিলী সরকার (সহকারী অধ্যাপক), টাইটাস ভ্যান ডার স্পেক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২টি পোশাক, ১০ জন শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!