📌 বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী নাফিস ইরতিজা বর্তমানে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গে মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বুয়েটের শিক্ষকতা থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী নাফিস ইরতিজা বর্তমানে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গে মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ২০২৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বুয়েটের শিক্ষকতা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি নিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১২ সালে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী নাফিস ইরতিজা বর্তমানে ব্লুমবার্গে মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ২০২৬ সালে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন তিনি
- 📌 বুয়েটের শিক্ষকতা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি নেওয়া হয়েছে নাফিসের
- 📌 ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার ঘটনা তার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে
- 📌 বর্তমানে ‘প্রথম’ পরিচয় বা বুয়েটের শিক্ষার্থী পরিচয় বাস্তব জীবনে বিশেষ সুবিধা দেয় না বলে মনে করেন তিনি
📰 বিস্তারিত
২০১২ সালে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী নাফিস ইরতিজা তার সাফল্যের কথা জানতে পেরেছিলেন এক ভোরে। তখন ফলাফল প্রকাশের আগে দেয়ালে টাঙিয়ে দেওয়া হতো। ময়মনসিংহে থাকায় ফলাফল দেখার সুযোগ ছিল না তাঁর। এক কোচিংয়ের ভাইয়ার মাধ্যমে তিনি প্রথমে মনে করেছিলেন মজা করা হচ্ছে। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গা থেকে শোনার পর তিনি নিশ্চিত হন যে তিনি বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তার আজকের মতো না থাকলেও, বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের বিজ্ঞাপন ও বিলবোর্ডে বুয়েটের শীর্ষস্থান অধিকারীদের ছবি থাকত। ফলে দেশের নানা প্রান্তে পরিচিতি পেয়েছিলেন নাফিস। এমনকি সিলেট বা পার্বত্য চট্টগ্রামে বেড়াতে গেলে সেখানকার স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা তাঁকে চিনে ফেলত। তিনি বলেন, ‘প্রথম হওয়াটা শুধু একাডেমিক অর্জন ছিল না, বরং দীর্ঘ মেয়াদে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’
তিনি মনে করেন, ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার ঘটনা বা বুয়েটের শিক্ষার্থী পরিচয় বাস্তব জীবনে বিশেষ সুবিধা দেয় না। তিনি বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট বিভাগে প্রবেশের সুযোগ করে দেয়। এরপরের পথ নির্ভর করে পড়াশোনা, দক্ষতা ও কাজের ওপর।’
“কোচিংয়ের এক ভাইয়ার মাধ্যমে খবরটা পাই। তিনি তখন বুয়েটের স্টুডেন্ট ছিলেন। প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো মজা করছেন! তারপর আরও কয়েক জায়গা থেকে শোনার পর শিওর হই।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ময়মনসিংহ, সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রাম, যুক্তরাষ্ট্র (পেনসিলভানিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাফিস ইরতিজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১২ (ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম), ২০২৬ (পিএইচডি সম্পন্ন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!