📌 বরিশালের স্বাদে মিষ্টি-মরিচা চিংড়ির জলটোবা বানানোর সহজ রেসিপি জানুন। মাঝারি কুচো চিংড়ি থেকে শুরু করে নারকেলের দুধে ভেজে মসালা দিয়ে তৈরি এই পাকশালী খাবারটি ৭-৮ মিনিটে প্রস্তুত হয়
বরিশালের ঐতিহ্যবাহী স্বাদের চিংড়ির জলটোবা বানানোর সহজ রেসিপি শেয়ার করছে প্রথম আলো। এই মিষ্টি-মরিচা খাবারটি মাঝারি কুচো চিংড়ি দিয়ে তৈরি করা হয়। রেসিপিতে নারকেলের দুধ, আদা, মরিচ, হলুদসিকি এবং বিভিন্ন মসলার ব্যবহার করা হয়। প্রস্তুতির সময়সীমা মাত্র ২০ মিনিটেরও কম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৪০০ গ্রাম মাঝারি কুচো চিংড়ি** দিয়ে বড়া তৈরি করা হয়, যা খোসা ছাড়িয়ে পরিষ্কার করে মিহি করে বেটে নিতে হয়।
- 📌 **১৫-২০ মিনিটের জন্য বড়ার উপকরণ** (আদা, মরিচ, হলুদসিকি, চালেরগুঁড়া, লবণ) মিশিয়ে রাখতে হয়।
- 📌 **ঝোলের উপকরণে** নারকেলের দুধ (১ কাপ), পানি (১ কাপ), পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, জিরা, মরিচগুঁড়া, লবণ, চিনি এবং ঘি (আধা চা-চামচ) ব্যবহার করা হয়।
- 📌 **চিংড়ির মিশ্রণ সরাসরি ঝোলে** বড়া-আকৃতিতে ছেড়ে দিতে হয়, যা ৭-৮ মিনিটে রান্না হয়ে যায়।
- 📌 **শেষে কাঁচা মরিচ ও গরমমসলা** দিয়ে স্বাদ বৃদ্ধি করা হয়।
📰 বিস্তারিত
চিংড়ির জলটোবা বানানোর প্রথম ধাপে চিংড়িকে খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে মিহি করে বেটে নিতে হয়। এরপর বড়ার উপকরণগুলো (আদা, কাঁচা মরিচ, হলুদসিকি, চালেরগুঁড়া, শর্ষের তেল) মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিটের জন্য রাখতে হয়।
ঝোল প্রস্তুতির সময় কড়াইয়ে শর্ষের তেল গরম করে তেজপাতা ও শুকনা মরিচ দিতে হয়। এরপর আদা, হলুদ, জিরা ও মরিচগুঁড়া দিয়ে অল্প পানি দিয়ে মসলা ভালো করে কষিয়ে নেওয়া হয়। নারকেলের দুধ ও পানি দিয়ে নেড়ে লবণ ও চিনি দিয়ে ফোটানো হয়।
চিংড়ির মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট অংশ নিয়ে সরাসরি ফুটন্ত ঝোলে বড়া-আকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। সব বড়া দেওয়ার পর কড়াই নাড়াচাড়া করা হয় না, শুধু হাতল ধরে আস্তে ঝাঁকিয়ে দিতে হয়। ঢেকে কম আঁচে ৭-৮ মিনিট রান্না করার পর বড়া শক্ত হয়ে গেলে উল্টে দিয়ে আরও ২ মিনিট রাখা হয়।
"চিংড়ির মিশ্রণ সরাসরি ঝোলে বড়া-আকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। সব বড়া দেওয়ার পর কড়াই নাড়াচাড়া করা হয় না, শুধু হাতল ধরে আস্তে ঝাঁকিয়ে দিতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল (স্বাদ অনুপ্রাণিত)
- 👥 খাবারের উপকরণ: মাঝারি কুচো চিংড়ি (৪০০ গ্রাম), আদা, মরিচ, হলুদসিকি, নারকেলের দুধ, পানি, পেঁয়াজ, জিরা, মরিচগুঁড়া, লবণ, চিনি, ঘি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫-২০ মিনিট (মসলা মিশ্রণ), ৭-৮ মিনিট (রান্না), ৪০০ গ্রাম (চিংড়ি), ১ কাপ (নারকেলের দুধ ও পানি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!