📌 ৪৮তম বিসিএসের সার্কুলার আসার পরপরই ইন্টার্নশিপে থাকা একজন ডাক্তার মাত্র দুই মাসে ক্যাডার প্রস্তুতি নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত ডা. শাহজিয়া শাহরিন আনিকা নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে বলেছেন, কীভাবে জেনারেল পার্টে মনোযোগ দিয়ে, মডেল টেস্টের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস তৈরি করে এবং সময় ব্যবস্থাপনা করে ক্যাডার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়
৪৮তম বিসিএসের সার্কুলার আসার পরপরই ইন্টার্নশিপে থাকা একজন ডাক্তার মাত্র ১.৫ মাসে ক্যাডার প্রস্তুতি নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত ডা. শাহজিয়া শাহরিন আনিকা ৫১তম বিশেষ বিসিএসে নবীন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে বলেছেন, কীভাবে অল্প সময়ে ক্যাডার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬-১২ ঘণ্টা ডিউটি ও পাহাড়সমান সিলেবাসের মধ্যে মাত্র ১.৫ মাসে বিসিএস প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব — ডা. শাহজিয়া শাহরিন আনিকা নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে বলেছেন।
- 📌 জেনারেল পার্টে মনোযোগ দিলে গণিত ও মানসিক দক্ষতার প্রশ্নে ১০০ শতাংশ সঠিক উত্তর দিতে পারেন।
- 📌 মডেল টেস্টের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস তৈরি — ডেঙ্গু আক্রান্ত অবস্থায়ও পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সময় মডেল টেস্টের অভ্যাস তাকে সাহায্য করেছিল।
- 📌 প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ১১০+ নম্বর সেফ জোন হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
- 📌 ভাইভার প্রস্তুতিতে সিনিয়রদের অভিজ্ঞতা জেনে নেওয়া — উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দানের বিষয়ে প্রশ্ন বেশি আসে।
📰 বিস্তারিত
৪৮তম বিসিএসের সার্কুলার আসার পরপরই ইন্টার্নশিপে থাকা একজন ডাক্তার মাত্র ১.৫ মাসে ক্যাডার প্রস্তুতি নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত ডা. শাহজিয়া শাহরিন আনিকা বলেছেন, তিনি প্রথমে নিজের শক্তিশালী ও দুর্বল জায়গা চিহ্নিত করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বাংলা ব্যাকরণ, ইংরেজি গ্রামার ও গণিতের দক্ষতা ছিল তার প্রধান পুঁজি। ডিউটির মধ্যে ফোনে পিডিএফ পড়ার মাধ্যমে এই বিষয়গুলো পুনরাবৃত্তি করতেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে তিনি বেশি সময় দিয়েছিলেন।
ডা. আনিকা বলেন, জেনারেল পার্টে মনোযোগ দিলে গণিত ও মানসিক দক্ষতার প্রশ্নে ১০০ শতাংশ সঠিক উত্তর দিতে পারেন। তিনি বলেন, “মেডিক্যাল পার্টে যেসব প্রশ্ন আসে, তার বেশিরভাগ আমরা এমবিবিএসেই পড়ে আসি। এই অংশের ভালো নম্বর নির্ভর করে প্রশ্নের মারপ্যাঁচ বুঝে ইতোমধ্যে জানা টপিক থেকে ঠিকঠাক উত্তর দেওয়ার ওপর।”
প্রস্তুতির সময় তিনি মডেল টেস্টের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছিলেন। তিনি বলেন, “কম নম্বর পাওয়া বা মেরিট পজিশনে পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকা যাবে না। প্রতিযোগিতা করতে হবে নিজের সঙ্গে। আগের দিনের চেয়ে পরদিন দুই নম্বর বেশি পাওয়া মানে ভালো অগ্রগতি।”
লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর তিনি ভাইভার প্রস্তুতিতে সিনিয়রদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা জেনে নেন। তিনি বলেন, “ভাইভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দানের বিষয়ে প্রশ্ন বেশি করা হয়। ইন্টার্নদের প্লেসমেন্ট সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।”
"প্রিলিমিনারি পরীক্ষার নম্বর ভাইভার সঙ্গে যোগ হবে। তাই কোনো রকমে প্রিলি পাস করা লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কিছুদিন পর ভাইভার প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (গাজীপুর, ইন্টার্নশিপ অবস্থান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শাহজিয়া শাহরিন আনিকা (স্বাস্থ্য ক্যাডার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮তম বিসিএস, ৫১তম বিশেষ বিসিএস, ৬-১২ ঘণ্টা ডিউটি, ১০০ শতাংশ সঠিক উত্তর, ১২০ মিনিট পরীক্ষা, ১১০+ নম্বর সেফ জোন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!