📌 চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্স ২০২৬’-এ বাংলাদেশ ও চীন ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করে। এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে বাংলাদেশের ৮টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন, যৌথ কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং ২+২ ও ৩+১ মডেলের শিক্ষাক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বিশ্বের প্রথম ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যৌথ সহযোগিতার নতুন যুগ শুরু হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্স ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনের সহায়তায় বাংলাদেশের ৮টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান আধুনিকায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে
- 📌 বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে একটি কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে
- 📌 ২+২ ও ৩+১ মডেলের যৌথ কারিগরি শিক্ষাক্রম চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে
- 📌 চীনের শীর্ষ কারিগরি শিক্ষাক্রম ও প্রশিক্ষণ মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত হবে
- 📌 বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনে কর্মসংস্থান ও বৃত্তির সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করা হবে
- 📌 সম্মেলনে ৪০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’-এর পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান নেয়
📰 বিস্তারিত
চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই ঐতিহাসিক বৈশ্বিক কাঠামো ‘ফ্রেমওয়ার্ক অব ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস (বেইজিং এগ্রিমেন্ট)’-এর পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন ঘোষণা করে। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন এবং চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান যৌথভাবে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন।
সম্মেলনে ৪০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং শতাধিক দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। এই বৈশ্বিক কাঠামোতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি বিশ্বের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন বলেন, ‘এই সমঝোতা স্মারক এবং বেইজিং এগ্রিমেন্ট একত্রে বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় অভূতপূর্ব গতি সঞ্চার করবে। বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড এবং বাস্তবধর্মী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাংলাদেশি তরুণদের জন্য বিশ্বজুড়ে বাস্তব কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।’
"এই সমঝোতা স্মারক এবং বেইজিং এগ্রিমেন্ট একত্রে বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় অভূতপূর্ব গতি সঞ্চার করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তিয়ানজিন, চীন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান, ৬টি উদ্যোগ, ৪০টি দেশের প্রতিনিধি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!