📌 কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী 'জেন ডো'কে ধর্ষণ করা হয়, কিন্তু প্রতিষ্ঠান তাকে শুনতে দেনি। ৩৫% মহিলা ছাত্র ধর্ষণের শিকার হলেও মাত্র ৫% ঘটনা পুলিশে রিপোর্ট হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ শিকারদেরকে পুনরাবৃত্তি করে শুনতে বাধ্য করে, যা তাদের আঘাতকে আরও গভীর করে তোলে
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার শিকার ছাত্রীদের প্রতি নিরাপত্তাহীনতা প্রদর্শন করছে। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ‘জেন ডো’কে ২০২৪ সালে একটি ফ্র্যাটার্নিটির ঘরে বেহোশ অবস্থায় সাতজন ছেলে ধর্ষণ করে। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রক্রিয়া তাকে শুনতে দেনি এবং কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যান এবং প্রতিষ্ঠানটিকে তার মামলায় ব্যর্থতার জন্য মামলা দায়ের করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ‘জেন ডো’কে ধর্ষণ করা হয়, কিন্তু প্রতিষ্ঠান তাকে শুনতে দেনি এবং কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
- 📌 ২০২৫ সালের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি জরিপে দেখা যায়, ৩৫% মহিলা ছাত্ররা বেহোশ বা বাধ্য অবস্থায় যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
- 📌 মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে দেখা যায়, প্রায় পাঁচজন মহিলা ছাত্রের মধ্যে একজন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের একটি অধ্যয়নে দেখা যায়, মাত্র ৫% সম্পূর্ণ বা চেষ্টাকৃত ধর্ষণ ঘটনার রিপোর্ট করা হয়েছে পুলিশকে।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ শিকারদেরকে পুনরাবৃত্তি করে শুনতে বাধ্য করে, যা তাদের আঘাতকে আরও গভীর করে তোলে।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ শিকারদেরকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বাধ্য করে, যা শিকারদেরকে আরও দুর্বল করে তোলে এবং তাদেরকে শুনতে দেনি।
📰 বিস্তারিত
কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রক্রিয়া ‘জেন ডো’কে শুনতে দেনি এবং তাকে কোনো নিরাপত্তা বা বিচার প্রদান করেনি। তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যান এবং প্রতিষ্ঠানটিকে তার মামলায় ব্যর্থতার জন্য মামলা দায়ের করেছেন। এই ঘটনা প্রকাশ করে যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া ব্যবহার করে শিকারদেরকে শুনতে দিতে চায় না, বরং তাদেরকে প্রতিষ্ঠানের জন্য সমস্যা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ যেমন ডিন, প্রোভস্ট, প্রেসিডেন্ট, টাইটেল IX কর্মকর্তা, ইত্যাদি তাদের প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করেন। তারা শিকারদেরকে শুনতে দিতে চান না, বরং তাদেরকে পুনরাবৃত্তি করে শুনতে বাধ্য করে, যা তাদের আঘাতকে আরও গভীর করে তোলে। এই প্রক্রিয়া শিকারদেরকে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বাধ্য করে, যা তাদেরকে আরও দুর্বল করে তোলে।
২০২৫ সালের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি জরিপে দেখা যায়, ৩৫% মহিলা ছাত্ররা বেহোশ বা বাধ্য অবস্থায় যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে দেখা যায়, প্রায় পাঁচজন মহিলা ছাত্রের মধ্যে একজন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তবে এই ঘটনাগুলোর বেশিরভাগই রিপোর্ট করা হয় না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের একটি অধ্যয়নে দেখা যায়, মাত্র ৫% সম্পূর্ণ বা চেষ্টাকৃত ধর্ষণ ঘটনার রিপোর্ট করা হয়েছে পুলিশকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ শিকারদেরকে পুনরাবৃত্তি করে শুনতে বাধ্য করে, যা তাদের আঘাতকে আরও গভীর করে তোলে। তারা শিকারদেরকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে বাধ্য করে, যা শিকারদেরকে আরও দুর্বল করে তোলে এবং তাদেরকে শুনতে দেনি। এই প্রক্রিয়া শিকারদেরকে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বাধ্য করে, যা তাদেরকে আরও দুর্বল করে তোলে।
"বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ শিকারদেরকে পুনরাবৃত্তি করে শুনতে বাধ্য করে, যা তাদের আঘাতকে আরও গভীর করে তোলে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়, মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ‘জেন ডো’, ডা. সোনিয়া চেরুবিলি, সারা আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫%, ৫%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!