📌 যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি ড. অরুণ কুমার বসাককে ২০২৬ সালের ফেলো নির্বাচিত করেছে। বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন পদার্থবিদ হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেছেন তিনি। গত ৫ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে গুণী শিক্ষক সম্মাননা পেয়েছিলেন তিনি।
বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সংগঠন আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি (এপিএস) বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন পদার্থবিদ ড. অরুণ কুমার বসাককে ২০২৬ সালের ফেলো নির্বাচিত করেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টায় বাংলাদেশ সময়ে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এই বছর বিশ্বের ১৫৩ জন পদার্থবিজ্ঞানী মাত্র এই সম্মাননা পেয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বের শীর্ষ বৈজ্ঞানিক সংগঠন আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি ড. অরুণ কুমার বসাককে ফেলো নির্বাচিত করেছে — বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন পদার্থবিদ হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেছেন তিনি।
- 📌 নিউক্লিয়াস-নিউক্লিয়াস বিভবের গবেষণায় এবং বাংলাদেশে বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসারে তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
- 📌 ৮৬ বছর বয়সেও গবেষণা ও শিক্ষকতায় অবদান রাখা ড. বসাক গত ৫ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে গুণী শিক্ষক সম্মাননা পেয়েছিলেন।
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, এই ফেলোশিপ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অঙ্গনে গর্বের সংযোজন।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সংগঠন আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি (এপিএস) বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন পদার্থবিদ ড. অরুণ কুমার বসাককে ২০২৬ সালের ফেলো নির্বাচিত করেছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টায় বাংলাদেশ সময়ে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এই বছর বিশ্বের ১৫৩ জন পদার্থবিজ্ঞানী মাত্র এই সম্মাননা পেয়েছেন।
নিউক্লিয়াস-নিউক্লিয়াস বিভবের প্রয়োগের মাধ্যমে নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং বাংলাদেশে কম্পিউটার সচেতনতা ও বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসারে ড. অরুণ কুমার বসাকের ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে এই স্বীকৃতিতে। ড. অরুণ কুমার বসাক বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত একমাত্র পদার্থবিদ হিসেবে এ সম্মান অর্জন করেছেন। গত ৫ অক্টোবর তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ২০২৬ সালের গুণী শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মাননা লাভ করেন।
৮৬ বছর বয়সেও গবেষণা, শিক্ষকতা ও বিজ্ঞানশিক্ষায় তার অবদান নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তার এই অর্জন বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অঙ্গনে এক গর্বের সংযোজন।
"এই স্বীকৃতি আমার দীর্ঘদিনের গবেষণা, শিক্ষকতা ও বিজ্ঞানচর্চার প্রতি এক ধরনের সম্মান। আমি মনে করি, এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বাংলাদেশের বিজ্ঞানশিক্ষা ও গবেষণার জন্যও গর্বের বিষয়।"
অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার বসাক আরও বলেন, ‘দেশের তরুণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানচর্চা ও মৌলিক গবেষণায় আরও বেশি আগ্রহী হয়, সেটিই আমার প্রত্যাশা। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদান রাখা সম্ভব। আমি চাই, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হোক এবং নতুন প্রজন্ম বিশ্বমানের বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে উঠুক।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটির মতো আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ সংগঠনের ফেলো নির্বাচিত হওয়া অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার বসাকের দীর্ঘদিনের গবেষণা, শিক্ষকতা ও বিজ্ঞানচর্চার এক অসাধারণ স্বীকৃতি। তার এই অর্জনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ পুরো বাংলাদেশ গর্বিত। তার সাফল্য দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চা ও মৌলিক গবেষণায় আগ্রহী করে তুলবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে বলে আমরা আশাবাদী।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. অরুণ কুমার বসাক, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৩ জন (ফেলো নির্বাচিত), ৯ অক্টোবর (ঘোষণা তারিখ), ৫ অক্টোবর (গুণী শিক্ষক সম্মাননা), ৮৬ বছর (বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!