📌 গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালায় অনুষ্ঠিত অভিভাবক সভায় শিক্ষক ও অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। শিক্ষার্থী ফাহিমের মা বলেন, স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর তার ছেলে নিজেই পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে শুরু করেছে
গুড়িহারী-কামদেবপুর এলাকার আলোর পাঠশালায় প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গত ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১১টায় অভিভাবক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা শিক্ষার স্বপ্নকে সত্য করে তুলবে বলে আশাবাদ জাগায়। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক রাজিত দাস, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ এবং অর্ধশতাধিক অভিভাবক। সভাটি সহকারী শিক্ষক মো. রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় পরিচালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আলোর পাঠশালায় অনুষ্ঠিত অভিভাবক সভায় শিক্ষক-অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
- 📌 ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিমের মা মোসা. ফরিদা বেগম বলেন, স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর তার ছেলে নিজেই পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে শুরু করেছে।
- 📌 ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শামীমা আক্তার বলেন, আলোর পাঠশালা শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখার জায়গা এবং শিক্ষক-অভিভাবকের এই একাত্মতা সমৃদ্ধির পথ দেখাবে।
- 📌 প্রধান শিক্ষক রাজিত দাস শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, মোবাইল ব্যবহারের কুফল এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনী ও বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন।
📰 বিস্তারিত
সভায় শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, পাঠে মনোযোগ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। অভিভাবকদের মধ্য থেকেও মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরা হয়। শিক্ষকদের পরিশ্রমের প্রশংসা করে অভিভাবক শামীমা আক্তার বলেন, ‘আলোর পাঠশালা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সন্তানদের স্বপ্ন দেখার জায়গা। শিক্ষক-অভিভাবকের এই বন্ধনই আমাদের সমৃদ্ধির পথ দেখাবে।’
অভিভাবক মোসা. ফরিদা বেগম তার ছেলে ফাহিমের উন্নতি নিয়ে বলেন, ‘আমার ছেলে আগে পড়াশোনায় এত মনোযোগী ছিল না। এই স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর তাকে আর পড়তে বসার কথা বলতে হয় না। সন্ধ্যা হলে সে নিজেই বই-খাতা নিয়ে পড়তে বসে যায়। এটা দেখে আমার খুব ভালো লাগে।’
প্রধান শিক্ষক রাজিত দাসের সমাপনী বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, প্রতিদিনের পড়াশোনা সম্পন্ন করা এবং ভালো মানুষ হওয়ার তাগিদ দেন। তিনি বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কুফল, ২০২৬ সালের নির্বাচনী ও বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে সভাটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সমাপ্ত হয়।
"আমার ছেলে আগে পড়াশোনায় এত মনোযোগী ছিল না। এই স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর তাকে আর পড়তে বসার কথা বলতে হয় না। সন্ধ্যা হলে সে নিজেই বই-খাতা নিয়ে পড়তে বসে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুড়িহারী-কামদেবপুর, আলোর পাঠশালা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোসা. ফরিদা বেগম, শামীমা আক্তার, রাজিত দাস, মো. রাকিবুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ অক্টোবর (তারিখ), ১১ টা (সময়), অর্ধশতাধিক অভিভাবক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!