📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুই হাতের কব্জি ও চোখ হারিয়ে ২০ বছর ধরে শিক্ষকতা করে অগ্রসর হচ্ছেন নীলফামারীর এই প্রতিবন্ধী শিক্ষক

দুই হাতের কব্জি ও চোখ হারিয়ে ২০ বছর ধরে শিক্ষকতা করে অগ্রসর হচ্ছেন নীলফামারীর এই প্রতিবন্ধী শিক্ষক

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আব্দুল হাকিম মুক্তিযুদ্ধে বোমা বিস্ফোরণে দুই হাতের কব্জি ও একটি চোখ হারান। কিন্তু তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে পরাজিত করে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করছেন। স্থানীয়রা তাকে এলাকার গর্ব হিসেবে দেখছেন

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বড় রাউতা গ্রামের আব্দুল হাকিম মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি বিস্ফোরিত বোমায় দুই হাতের কব্জি ও একটি চোখ হারান। কিন্তু তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করে আসছেন। তার সংগ্রামী জীবন ও শিক্ষকতার অবদান স্থানীয়দের অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বোমা বিস্ফোরণে** দুই হাতের কব্জি ও একটি চোখ হারান আব্দুল হাকিম, কিন্তু তিনি **২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে** শিক্ষকতা করছেন দক্ষিণ বড় রাউতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
  • 📌 **সাইকেল চালানো, লেখালেখি, শিক্ষার্থীদের পড়ানো, পরিবারের কাজ** — সবই করেন তিনি এক হাতের সাহায্যে।
  • 📌 **ছেলে রাকিব হোসাইন** বলেন, “আমার বাবা প্রতিবন্ধী হলেও দৈনন্দিন কাজে আমাদের থেকে অনেক বেশি পরিশ্রম করেন। তিনি পরিবারের গর্ব।”
  • 📌 **ডোমার উপজেলা প্রশাসন** তার সংগ্রামী জীবনকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, “তিনি পিছিয়ে পড়াদের অনুপ্রেরণা হতে পারেন।”
  • 📌 **সোহাগ মামুন** বলেন, “অভাবের মাঝেও তিনি পড়াশোনা করে সফল হয়েছেন। একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে তার সংগ্রাম অনেকের জন্য অনুপ্রেরণামূলক।”

📰 বিস্তারিত

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বড় রাউতা গ্রামের আব্দুল হাকিমের জীবন একটি অদ্ভুত সংগ্রামের গল্প। মুক্তিযুদ্ধের সময় মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি একটি বোমা হাতে নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণে দুই হাতের কব্জি ও একটি চোখ হারান। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি। তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর বাড়ির পাশের দক্ষিণ বড় রাউতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সেই থেকে তিনি **২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে** এই স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

আব্দুল হাকিমের দৈনন্দিন জীবন অত্যন্ত সংগ্রামময়। সাইকেল চালানো, লেখালেখি, শিক্ষার্থীদের পড়ানো, পরিবারের টুকিটাকি কাজ — সবই তিনি এক হাতের সাহায্যে করেন। অবসর সময়ে তিনি ছেলের ফার্মেসিতে সহযোগিতা করেন। তার সন্তান রাকিব হোসাইন বলেন, “আমার বাবা একজন প্রতিবন্ধী হলেও তিনি আমাদের থেকে অনেক বেশি পরিশ্রম করেন। পেশাগত দায়িত্ব, কৃষিকাজ, বাড়ির কাজ — সবকিছু তিনি সুন্দরভাবে সামলান। তিনি পরিবারের গর্ব।”

স্থানীয় বাসিন্দা সোহাগ মামুনের মতে, “হাকিম ভাইয়ের হাত না থাকার পরেও তিনি কষ্ট করে লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন। অভাবের মাঝেও তিনি পড়াশোনা করে আজ একজন সফল ব্যক্তির কাতারে। তিনি তার প্রত্যেক সন্তানকে সুশিক্ষিত করেছেন। একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে তার সংগ্রাম অনেকের জন্য অনুপ্রেরণামূলক।”

"আমার অবস্থা দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন রাস্তায় ভিক্ষা করে আমাকে চলতে হবে। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর বাড়ির পাশেই এই স্কুলে যোগদান করি এবং তখন থেকে এই স্কুলেই চাকরি করছি। নিজের চেষ্টা এবং আল্লাহর প্রতি ভরসা আমাকে আজ এই স্থানে পৌঁছে দিয়েছে।"

ডোমার উপজেলা প্রশাসন তার সংগ্রামী জীবনকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, “আমরা তার কার্যক্রম দেখে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। তিনি পিছিয়ে পড়াদের অনুপ্রেরণা হতে পারেন। আমরা তার প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আল্লাহ যেন তাকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সুস্থ রাখেন।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, “আব্দুল হাকিমের সংগ্রামী জীবন শিক্ষকতার অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তিনি এলাকার গর্ব এবং অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নীলফামারীর ডোমার উপজেলা, বড় রাউতা গ্রাম, দক্ষিণ বড় রাউতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল হাকিম (শিক্ষক), রাকিব হোসাইন (ছেলে), সোহাগ মামুন (বাসিন্দা), মো. আফজালুল হক (সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা), শায়লা সাঈদ তন্বী (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০+ বছর (শিক্ষকতা), ৭ বছর বয়স (বোমা বিস্ফোরণ), ২ হাতের কব্জি ও ১ চোখ হারানো

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖