📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই থেকে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। বিতর্কের পর বইয়ে কোনো আইকন থাকবে না বলে ঘোষণা করা হয়
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই থেকে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বিতর্কের পর বইয়ে জ্ঞানের পিরামিডের চার স্তর থাকলেও কোনো প্রতীক বা চিহ্ন থাকবে না বলে ঘোষণা করা হয়। এনসিটিবির সদস্য এ কে এম শওকত আলী খান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান, বইয়ে উপাত্ত, তথ্য, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা — এই চার স্তরের নাম থাকবে, তবে কোনো আইকন থাকবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বাদ দেওয়া হয়েছে
- 📌 জ্ঞানের পিরামিডের চার স্তর থাকবে, কিন্তু কোনো প্রতীক বা চিহ্ন থাকবে না
- 📌 ইতিমধ্যে ছাপা ৩৮ লাখ কপি বইয়ের সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠায় নতুন করে ছাপানো হবে
- 📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য মোট ৩১ কোটি বই ছাপানোর কাজ চলছে
- 📌 ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে বইয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ছিল, কিন্তু চলতি শিক্ষাবর্ষে মস্তিষ্কের ছবি ছিল
📰 বিস্তারিত
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লার ছবি রাখা নিয়ে বিতর্কের পর এনসিটিবি সিদ্ধান্ত নেয় প্রতীকটি বাদ দেওয়ার। এনসিটিবির সদস্য এ কে এম শওকত আলী খান বলেন, ‘উপাত্ত, তথ্য, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা — এই চার স্তরের নাম থাকবে। তবে এখানে কোনো আইকন থাকবে না। এ বছর এভাবেই যাবে। পরের বছর বিষয়গুলো পুনরায় আরও পরিমার্জন করব, যাতে কোনো ভুল তথ্য না যায়।’
গত বৃহস্পতিবার রাতে এনসিটিবি বইটির ছাপার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে চলে যাওয়া বইগুলো সংগ্রহ করে প্রতীক পরিবর্তনের পর আবার শিক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহ করার কথা জানানো হয়েছিল। তবে দাঁড়িপাল্লার পরিবর্তে কোন প্রতীক ব্যবহার করা হবে, তা তখনো নিশ্চিত ছিল না। বিতর্কের পর এনসিটিবি প্রেস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নতুন সিদ্ধান্ত নেয়। প্রেস মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বইয়ের সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠায় নতুন করে ছাপানো আরেকটি পৃষ্ঠা যুক্ত করার বিষয়ে তারা সম্মত হয়েছে।
বইয়ে জ্ঞানের পিরামিডের ধারণা উপাত্ত, তথ্য, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা — এই চার স্তরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি স্তর বোঝাতে আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছিল। উপাত্তের স্তরে ছিল পাই চার্ট বা ঘড়ির মতো বৃত্তাকার প্রতীক, তথ্যের স্তরে ছিল পরমাণু বা নেটওয়ার্কের মতো প্রতীক, জ্ঞানের স্তরে ছিল মানুষের মস্তিষ্কের ছবি। আর সর্বোচ্চ স্তর প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লা রাখা হয়েছিল। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের প্রায় ৩৮ লাখ কপি ছাপানো হচ্ছে। এর বেশির ভাগই ইতিমধ্যে ছাপা হয়ে গেছে। এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সব মিলিয়ে প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপানোর কাজ চলছে।
২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লা ছিল, কিন্তু চলতি শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে মানুষের মস্তিষ্কের ছবি ছিল। এবার আবার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরে আসার পর বিতর্কের পর এবার প্রতীকটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
"উপাত্ত, তথ্য, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা — এই চার স্তরের নাম থাকবে। তবে এখানে কোনো আইকন থাকবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (এনসিটিবি সদর দপ্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ কে এম শওকত আলী খান (এনসিটিবি সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ লাখ (বই), ৩১ কোটি (মোট বই)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!