📌 ৫০তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারের ৭১৩টি শূন্য পদ যুক্ত না করলে শিক্ষকসংকটের সমাধান হবে না। প্রার্থীরা দাবি করেছেন নন-ক্যাডার পদও বাড়ানো দরকার, কারণ ৬ হাজার ১৬৫ জন লিখিত উত্তীর্ণের মধ্যে মাত্র ৩৯৫টি পদ রয়েছে
৫০তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারের ৭১৩টি শূন্য পদ যুক্ত না করলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও গভীর শিক্ষকসংকট সৃষ্টি হবে। চাকরিপ্রার্থীরা এই দাবি জানিয়েছেন। তারা আরও দাবি করেছেন, নন-ক্যাডার পদসংখ্যা বাড়ানো দরকার, কারণ ৬ হাজার ১৬৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৩৯৫টি পদ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫০তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারে মাত্র ১৩৯টি পদ রয়েছে, যেখানে ৪৭তম বিসিএসে ছিল ৯২৯টি পদ — এর মধ্যে ৭১৩টি শূন্য থেকে যায় (৭৭ শতাংশ)।
- 📌 বাংলা, ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, রসায়ন, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে সর্বাধিক পদ খালি রয়েছে।
- 📌 ৫০তম বিসিএসে নন-ক্যাডার পদ ৩৯৫টি, কিন্তু লিখিত উত্তীর্ণ ৬ হাজার ১৬৫ জন — প্রার্থীরা দাবি করেছেন, ৪৪তম বিসিএসে ৪ হাজার ১৫৬টি পদ বাড়ানো হয়েছিল, তাই এবারও পদসংখ্যা বাড়ানো দরকার।
- 📌 পূর্ববর্তী বিসিএসে উচ্চ ক্যাডার পেলেও অনেক প্রার্থী আবার নিম্ন ক্যাডার বা নন-ক্যাডারে সুপারিশ পাচ্ছেন — উদাহরণস্বরূপ, ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার পেয়েও ৪৭তম বিসিএসে একই প্রার্থী কর ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন।
- 📌 চাকরিপ্রার্থীরা দাবি করেছেন, ফলাফল প্রকাশের আগে একই ব্যক্তির একাধিক সুপারিশ সমন্বয় করা এবং সম্পূরক ফল প্রকাশ করা দরকার।
- 📌 বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানিয়েছে, পদসংখ্যা নির্ধারণের দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের।
📰 বিস্তারিত
৫০তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারের শূন্য পদগুলো যুক্ত না করলে শিক্ষকসংকটের সমাধান হবে না — এই দাবি তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তারা উল্লেখ করেছেন, ৪৭তম বিসিএসে সরকারি কলেজের শিক্ষা ক্যাডারে মোট ৯২৯টি পদ ছিল, কিন্তু এখন মাত্র ১৩৯টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে ৭১৩টি পদ শূন্য থেকে যায়, যা মোট পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। বিশেষত বাংলা, ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, রসায়ন, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে সর্বাধিক পদ খালি রয়েছে। প্রার্থীরা বলছেন, এই শূন্য পদগুলো যুক্ত না করলে সরকারি কলেজের শিক্ষকসংকট আরও বাড়বে।
নন-ক্যাডার পদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রার্থীরা। ৫০তম বিসিএসে বিজ্ঞাপিত নন-ক্যাডার পদ মাত্র ৩৯৫টি, কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ হাজার ১৬৫ জন। প্রার্থীরা উল্লেখ করেছেন, বিশেষ বিধিমালা অনুযায়ী সরকার চাইলে নন-ক্যাডার পদ বাড়াতে পারে। আগের ৪৪তম বিসিএসে ৪ হাজার ১৫৬টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই উদাহরণ টেনে ৫০তম বিসিএসে পদসংখ্যা বাড়ানোর দাবি তুলেছেন প্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থীরা আরও একটি সমস্যা তুলে ধরেছেন। পূর্ববর্তী বিসিএসে উচ্চ ক্যাডার পেলেও অনেক প্রার্থী আবার পরবর্তী বিসিএসে নিম্ন ক্যাডার বা নন-ক্যাডারে সুপারিশ পাচ্ছেন। উদাহরণস্বরূপ, ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার পেয়েও ৪৭তম বিসিএসে একই প্রার্থী কর ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন। প্রার্থীরা দাবি করেছেন, এভাবে একই ব্যক্তি একাধিকবার সুপারিশ পেলে অনেক পদ নষ্ট হয়। তাই ফলাফল প্রকাশের আগে এগুলো সমন্বয় করা এবং সম্পূরক ফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
"এই শূন্য পদগুলো যুক্ত না করলে সরকারি কলেজের শিক্ষকসংকট থেকেই যাবে। নন-ক্যাডার পদও বাড়ানো দরকার, কারণ লিখিত উত্তীর্ণদের সংখ্যা অনেক বেশি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সরকারী কলেজ ও সরকারি প্রতিষ্ঠান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চাকরিপ্রার্থীরা, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০তম বিসিএস (১৩৯টি শিক্ষা ক্যাডার পদ), ৪৭তম বিসিএস (৯২৯টি পদ, ৭১৩টি শূন্য), ৬ হাজার ১৬৫ জন লিখিত উত্তীর্ণ, ৩৯৫টি নন-ক্যাডার পদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!