📌 বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন ঘোষণা করেছেন, দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু হবে। ম্যান্ডারিন, জাপানিজ, জার্মান, কোরিয়ান ও আরবি ভাষাসহ এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ বাড়াবে
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন ঘোষণা করেছেন, দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে** ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু হবে — ম্যান্ডারিন, জাপানিজ, জার্মান, কোরিয়ান ও আরবি ভাষাসহ।
- 📌 **ম্যান্ডারিনকে অগ্রাধিকার** দেওয়া হয়েছে, চীনের দূতাবাসের সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য।
- 📌 **শিক্ষার্থীদের জন্য** আন্তর্জাতিক বৃত্তি, গবেষণা ফেলোশিপ, শিক্ষার্থী বিনিময় ও যৌথ একাডেমিক কর্মসূচির সুযোগ তৈরি হবে।
- 📌 **বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার আঞ্চলিক হাব** হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যৌথ ডিগ্রি ও দ্বৈত ডিগ্রির ব্যবস্থা করা হবে।
- 📌 **ব্রেইন ড্রেইন থেকে ব্রেইন সার্কুলেশন**ে যাওয়ার জন্য বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।
📰 বিস্তারিত
অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব আন্তঃসংযুক্ত হয়ে উঠছে। তৃতীয় ভাষা শিক্ষা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যোগাযোগে সক্ষম করে তুলবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ম্যান্ডারিন, জাপানিজ, জার্মান, কোরিয়ান ও আরবি ভাষাসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তৃতীয় ভাষা কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের সব বিভাগীয় অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করে এসব কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটসহ এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। অধ্যাপক মামুন বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিদেশি ও স্থানীয় ভাষা বিশেষজ্ঞ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষণ উপকরণের প্রয়োজন হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোর সঙ্গে ইউজিসি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
তিনি ভাষা শিক্ষার সঙ্গে উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণের সম্পর্ক তুলে ধরেন। ম্যান্ডারিনসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, যৌথ একাডেমিক কর্মসূচি, গবেষণা ফেলোশিপ, সামার স্কুল, একাডেমিক সম্মেলন এবং শিক্ষক-গবেষক বিনিময়ের সুযোগ পেতে পারেন। বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার আঞ্চলিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌথ ডিগ্রি ও দ্বৈত ডিগ্রির সুযোগ তৈরির বিষয়ে ইউজিসি কাজ করছে।
"চীনের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিকীকরণে ভূমিকা রাখতে পারে। নিজ নিজ বিষয়ে জ্ঞানের পাশাপাশি ভাষা ও আন্তঃসাংস্কৃতিক দক্ষতা থাকা স্নাতকদের আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি (রাজধানী), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন (ইউজিসি সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!