📌 সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৬১ জেলায় ২ হাজারের বেশি প্রার্থী বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক প্রার্থীরা প্রশাসনিক ভুলের কারণে নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যে পদক্ষেপ নিতে দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, ১ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে
৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকায় বাদ পড়া প্রার্থীদের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি। শিক্ষক নিয়োগের প্রশাসনিক ভুল ও অসংগতি নিয়ে প্রার্থীরা ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যে পদক্ষেপ নিতে দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৬১ জেলায় মোট ২ হাজারের বেশি প্রার্থী বাদ পড়েছেন।
- 📌 সুনামগঞ্জ জেলায় সর্বাধিক ১২০ জন, রংপুর বিভাগে সর্বাধিক ৫০৪ জন বাদ পড়েছেন।
- 📌 শিক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, ১ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
- 📌 প্রার্থীরা প্রশাসনিক ভুলের কারণে বাদ পড়ার অভিযোগ তুলেছেন এবং ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যে পদক্ষেপ নিতে দাবি জানিয়েছেন।
- 📌 খুলনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও যশোরে নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে ভেরিফিকেশনের পরে অনেক প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রার্থীদের দাবি, প্রশাসনিক ভুল ও অসংগতির কারণে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও অনেকে নিয়োগপত্র পাননি। ৬১ জেলায় বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে সুনামগঞ্জে সর্বাধিক ১২০ জন, দিনাজপুরে ১১৪ জন, যশোরে ১০৬ জন, কুমিল্লায় ১০২ জন এবং ভোলায় ৮৪ জন। বিভাগভিত্তিকভাবে রংপুর বিভাগে সর্বাধিক ৫০৪ জন বাদ পড়েছেন। এরপর খুলনা বিভাগে ৪২০ জন, চট্টগ্রামে ৩১২ জন, ঢাকায় ২৬৮ জন, সিলেটে ২৬০ জন, রাজশাহীতে ২৫৫ জন, বরিশালে ২৫২ জন এবং ময়মনসিংহে ১১৪ জন বাদ পড়েছেন।
প্রার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি পুনরায় যাচাই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, প্রশাসনিক ভুল সংশোধন এবং ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি। তারা নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অস্পষ্টতার কারণ ও বাদ পড়ার কারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জানানোর দাবিও তুলেছেন।
"সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ৬১ জেলা (সুনামগঞ্জ, খুলনা, মৌলভীবাজার, যশোর, দিনাজপুর, যশোর, কুমিল্লা, ভোলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আ ন ম এহছানুল হক মিলন (শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী), সহকারী শিক্ষক প্রার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার+ বাদ পড়া প্রার্থী, ৬১ জেলা, ১২০ জন (সুনামগঞ্জ), ৫০৪ জন (রংপুর বিভাগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!