📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যমুনা সার কারখানায় চালু হওয়ার মাত্র দুই দিনে আবার উৎপাদন বন্ধ, গ্যাসের চাপে নির্ভরশীলতা

যমুনা সার কারখানায় চালু হওয়ার মাত্র দুই দিনে আবার উৎপাদন বন্ধ, গ্যাসের চাপে নির্ভরশীলতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল) গ্যাস সংকট কাটিয়ে প্রায় আট মাস পর চালু হলেও মাত্র দুই দিনে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কারখানার মহাব্যবস্থাপক ফজলুল হক জানান, বয়লারে ছিদ্রের কারণে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।

জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল) গ্যাস সংকট কাটিয়ে প্রায় আট মাস পর পুরোদমে উৎপাদন শুরু করলেও মাত্র দুই দিনের মাথায় আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কারখানার মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. ফজলুল হক প্রথম আলোকে জানান, গতকাল বুধবার রাতে একটি প্ল্যান্টের বয়লারে ছিদ্র দেখা গেলে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গ্যাস সংকট কাটিয়ে প্রায় আট মাস পর যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল) পুরোদমে উৎপাদন শুরু হলেও মাত্র দুই দিনে আবার বন্ধ হয়ে গেছে
  • 📌 বয়লারে ছিদ্রের কারণে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে, মেরামতের জন্য কারখানা বন্ধ রয়েছে
  • 📌 বর্তমান গ্যাসের চাপে দৈনিক উৎপাদন হবে ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া
  • 📌 কারখানাটি ১৯৯১ সালে চালু হলেও গ্যাস সংকটে ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি উৎপাদন বন্ধ ছিল
  • 📌 উৎপাদন বন্ধ থাকা সময়কাল ছিল প্রায় আট মাস

📰 বিস্তারিত

মহাব্যবস্থাপক ফজলুল হক বলেন, ‘এটি বড় ধরনের কোনো সমস্যা নয়। আমরা পুরোদমে উৎপাদনে গিয়েছি এবং গ্যাসের চাপও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। তাই ছোট ত্রুটিও মেরামত করে নিচ্ছি, যাতে পরে কোনো বড় সমস্যা না হয়। আশা করছি, আগামী শনিবার আবার পুরোদমে উৎপাদনে ফিরতে পারব।’ তিনি আরও জানান, কারখানাটি অনেক দিন পর চালু হয়েছে, তাই ছোটখাটো সমস্যা হতে পারে। চালুর পর এ পর্যন্ত বড় কোনো সমস্যা দেখা যায়নি।

কারখানার সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান গ্যাসের চাপে দৈনিক উৎপাদন হবে ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া। গ্যাসের চাপ আরও বাড়লে উৎপাদন ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন পর্যন্ত হতে পারে। তবে উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন পর্যন্ত নির্ভর করবে গ্যাসের চাপের উপর।

কারখানাটি ১৯৯১ সালে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন উৎপাদন ক্ষমতা নিয়ে চালু হয়েছিল। তবে উৎপাদন বন্ধ থাকা সময়কালে কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কারখানাটি থেকে উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলাসহ মোট ১৯ জেলায় সার সরবরাহ করা হয়।

"এটি বড় ধরনের কোনো সমস্যা না। আমরা পুরোদমে উৎপাদনে গিয়েছি এবং গ্যাসের চাপও ভালো পাওয়া যাচ্ছে; তাই ওই ছোট ত্রুটিও মেরামত করে নিচ্ছি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সরিষাবাড়ী, জামালপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফজলুল হক (মহাব্যবস্থাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন (দৈনিক উৎপাদন), ১৫ ফেব্রুয়ারি (উৎপাদন বন্ধের তারিখ), ১৯৯১ (কারখানার প্রতিষ্ঠা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖