📌 জামালপুরের যমুনা ফার্টিলাইজার কারখানায় গ্যাস লিকেজের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। উৎপাদন শুরু হওয়ার মাত্র ২ দিন পর এই ঘটনা ঘটেছে।
জামালপুরের যমুনা ফার্টিলাইজার কারখানায় উৎপাদন শুরু হওয়ার মাত্র ২ দিন পর আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোররাতে কারখানার বয়লারে গ্যাস লিকেজ দেখা দিলে ইউরিয়া সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। কারখানার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কর্তৃক এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুরের যমুনা ফার্টিলাইজার কারখানায় উৎপাদন শুরু হওয়ার মাত্র ২ দিন পর গ্যাস লিকেজের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়
- 📌 উৎপাদন বন্ধের কারণ হিসেবে কারখানার বয়লারে লিকেজের উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 কারখানাটি দৈনিক ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে
- 📌 উৎপাদন শুরু হওয়ার আগে গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় ৮ মাস ধরে কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল
📰 বিস্তারিত
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। গত সোমবার রাত থেকে গ্যাস সংযোগ পুনরুদ্ধার হওয়ার পর কারখানাটি পুনরায় উৎপাদনে যেতে শুরু করে। কারখানাটি উৎপাদন শুরু করার সময় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা ছিল, তবে বর্তমানে গ্যাসের চাপ স্বল্পতা এবং যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দৈনিক ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টন সার উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে।
কারখানার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলেছেন, বয়লারে লিকেজের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাস লিকেজের কারণে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ফলে দেশের অন্যতম বৃহৎ সার কারখানার কার্যক্রমে বাধা পড়েছে।
"বয়লারে লিকেজের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। গত সোমবার রাত থেকে উৎপাদন শুরু হলেও মাত্র ২ দিন পর আবার বন্ধ হয়ে গেছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুরের যমুনা ফার্টিলাইজার কারখানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যমুনা ফার্টিলাইজার কারখানার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ দিন, ৮ মাস, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১ হাজার ২০০-১ হাজার ৪০০ টন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!