📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যমুনা নদীর চরাঞ্চলে তিল চাষে কৃষকদের নতুন আশা: লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫০০ হেক্টর জমিতে চাষ

যমুনা নদীর চরাঞ্চলে তিল চাষে কৃষকদের নতুন আশা: লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫০০ হেক্টর জমিতে চাষ

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যমুনা নদীর চরাঞ্চলে তিল চাষের মাধ্যমে কৃষকরা আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন। সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় ৫০০ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে এই তৈলজাত ফসল, যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। কম খরচে উচ্চ ফলন ও বাজারের চাহিদা কৃষকদের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলেছে।

যমুনা নদীর চরাঞ্চলে তিল চাষের মাধ্যমে কৃষকরা আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর, চৌহালি, বেলকুচি ও শাহজাদপুর উপজেলার যমুনাতীরবর্তী চরাঞ্চলে এই তৈলজাত ফসলের চাষ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে তিল চাষ করে কৃষকরা নতুন আয়ের সম্ভাবনা খুঁজে পাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় ৪৯০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫০০ হেক্টর জমিতে তিল চাষ হচ্ছে
  • 📌 ৫০০ হেক্টর জমি থেকে প্রায় ৫৪২ টন তিল উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ
  • 📌 চরাঞ্চলের পলিযুক্ত মাটি ও কম উৎপাদন খরচের কারণে তিল চাষের জনপ্রিয়তা বেড়েছে
  • 📌 প্রতি বিঘা জমিতে ৫ থেকে ৬ মণ তিল উৎপাদনের সম্ভাবনা থাকায় কৃষকরা আশাবাদী
  • 📌 গত ২০২৫ সালে জেলায় ৭ হাজার ১৭১ হেক্টর জমিতে তিল চাষ হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

যমুনা নদীর চরাঞ্চলে তিল চাষের মাধ্যমে কৃষকরা আর্থিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন। সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪৯০ হেক্টর জমিতে তিল চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে কৃষকদের আগ্রহের কারণে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫০০ হেক্টর জমিতে তিল চাষ হচ্ছে। এই জমি থেকে প্রায় ৫৪২ টন তিল উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।

চরাঞ্চলের পলিযুক্ত মাটি তিল চাষের জন্য বেশ উপযোগী। তুলনামূলক কম উর্বর জমিতেও এই ফসল ফলানো যায়। পাশাপাশি চাষাবাদে খরচ ও শ্রম কম লাগায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের তিল চাষে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

পানাগাড়ী গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন, আলাউদ্দিন ও আব্দুস সোবাহান জানান, গত বছরের তুলনায় এবার চরাঞ্চলে তিলের আবাদ বেড়েছে। স্বল্প খরচে চাষ করা যায় এবং বাজারে চাহিদা থাকায় এ ফসলের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অন্য ফসলের পাশাপাশি তিল চাষ করে বাড়তি আয় করার সুযোগ দেখছেন তারা।

"এবার এক বিঘা জমিতে তিল চাষ করেছি। উচ্চফলনশীল জাতের বীজ ব্যবহার করায় গাছের অবস্থা ভালো। আশা করছি, বিঘাপ্রতি পাঁচ থেকে ছয় মণ তিল পাব।"

চরগিরিশ গ্রামের কৃষক জয়নুল হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রতি মণ তিলের বাজার মূল্য তিন হাজার টাকা থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা। উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভের সম্ভাবনা ভালো থাকায় আগামীতে আবাদ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার। তবে এ জন্য সরকারি সহায়তা আরও বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যমুনা নদীর চরাঞ্চল (সিরাজগঞ্জ জেলা, কাজিপুর, চৌহালি, বেলকুচি, শাহজাদপুর উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়নুল হোসেন, আবুল হোসেন, আলাউদ্দিন, আব্দুস সোবাহান, আজগর আলী, কৃষিবিদ শরিফুল ইসলাম, উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ হেক্টর (তিল চাষের জমি), ৫৪২ টন (তিল উৎপাদন), ৭ হাজার ১৭১ হেক্টর (২০২৫ সালের তিল চাষ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖