📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বব্যাংকের গবেষণা: বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে প্রবৃদ্ধি কীভাবে বাঁচবে?

বিশ্বব্যাংকের গবেষণা: বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে প্রবৃদ্ধি কীভাবে বাঁচবে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বব্যাংকের গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। গবেষণায় দেখা গেছে, শিল্প ও উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান স্থিতিস্থাপকতা ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা কর্মসংস্থানকে অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

বিশ্বব্যাংকের গবেষণা প্রকাশ করেছে যে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। গবেষণায় দেখা গেছে, শিল্প ও উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান স্থিতিস্থাপকতা ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। অর্থনীতিবিদ নাজমুস সাদাত খানের নেতৃত্বে এই গবেষণায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণাটি বিশ্বব্যাংকের পলিসি রিসার্চ ওয়ার্কিং পেপার সিরিজের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশে ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গড়ে বছরে ৬.৪ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হলেও কর্মসংস্থান সৃষ্টির হার কমছে
  • 📌 ২০০৩-২০১০ সালে শিল্প খাতের কর্মসংস্থান স্থিতিস্থাপকতা ছিল ০.৮৪, কিন্তু ২০১৭-২০২৪ সালে তা ঋণাত্মক ০.০৪-এ নেমে এসেছে
  • 📌 উৎপাদন খাতে ২০১৭-২০২৪ সালে কর্মসংস্থান স্থিতিস্থাপকতা ঋণাত্মক ০.১০, অর্থাৎ উৎপাদন বাড়লেও কর্মসংস্থান কমেছে
  • 📌 গবেষণায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সক্ষম খাতগুলোকে উৎসাহিত করা এবং শিক্ষা-প্রশিক্ষণ সংস্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি চাকরির মান ও উৎপাদনশীলতা উন্নয়নেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

বিশ্বব্যাংকের গবেষণাপত্রে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৩ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টির স্থিতিস্থাপকতা ছিল ০.৪৪, যা ২০১০ থেকে ২০১৭ সালে কমে ০.২২ এবং ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালে সামান্য বেড়ে ০.২৭ হয়েছে। তবে এই সময়ে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান স্থিতিস্থাপকতা ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। অর্থাৎ, উৎপাদন বাড়লেও কর্মসংস্থান বাড়েনি। গবেষণায় বলা হয়েছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণব্যবস্থাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি নয়, চাকরির মান ও উৎপাদনশীলতাও বিবেচনা করতে হবে। অর্থনীতিবিদ নাজমুস সাদাত খানের নেতৃত্বে এই গবেষণায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণাটি বিশ্বব্যাংকের পলিসি রিসার্চ ওয়ার্কিং পেপার সিরিজের অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণাটির মূল বার্তা হলো, বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে একটি প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। প্রবৃদ্ধির সুফল যেন বেশি মানুষের জন্য উৎপাদনশীল ও মানসম্মত কাজের সুযোগ তৈরি করে, নীতিনির্ধারণে সেই লক্ষ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

"বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। কর্মসংস্থানকে অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে রাখা দরকার"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থনীতিবিদ নাজমুস সাদাত খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬.৪ শতাংশ (প্রবৃদ্ধি), ০.০৪ (শিল্প খাতের কর্মসংস্থান স্থিতিস্থাপকতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖