📌 বিশ্বব্যাংক বলেছে, বিনিয়োগ খরার কারণে বাংলাদেশের চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামবে ৩.৪ শতাংশে। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে এটি ৩.৯ শতাংশে উঠতে পারে। সংস্থাটি বিনিয়োগের মন্থরগতি, রপ্তানি আয়ের কমে যাওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দিয়েছে। বিনিয়োগ খরার কারণে চলতি অর্থবছরে (২০২৬-২৭) দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামবে ৩.৪ শতাংশে। তবে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে এটি ৩.৯ শতাংশে উঠতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সংস্থাটি বলেছে, বিনিয়োগে মন্থরগতি, রপ্তানি আয়ের কমে যাওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে প্রবৃদ্ধি কমেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বব্যাংক: চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামবে
- 📌 ২০২৭-২৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৩.৯ শতাংশে উঠতে পারে
- 📌 বিনিয়োগের মন্থরগতি, রপ্তানি আয়ের কমে যাওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে প্রবৃদ্ধি কমেছে
- 📌 বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের প্রধান জ্যঁ পেসমে: "অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে ব্যাংকিং খাত ও জ্বালানি খাতে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন"
- 📌 সরকারি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে
📰 বিস্তারিত
বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ অক্টোবর সংস্করণে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, বিনিয়োগে মন্থরগতি অব্যাহত রয়েছে এবং রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধির গতি কমে গেছে। মূল্যস্ফীতির উচ্চ পর্যায়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে এবং ব্যবসা পরিচালনার খরচ বাড়ছে। এসব কারণে জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের প্রধান জ্যঁ পেসমে বলেছেন, “অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে ও বেসরকারি বিনিয়োগনির্ভর অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার প্রয়োজন। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং আরও বেশি ও ভালো কর্মসংস্থান তৈরির জন্য জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে। এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।”
বিশ্বব্যাংকের পূর্বের পূর্বাভাস ছিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৬ শতাংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধের কারণে এই পূর্বাভাস কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত ১৬ জুন প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’ প্রতিবেদনে ৬.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
"অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে ও বেসরকারি বিনিয়োগনির্ভর অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার প্রয়োজন। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এবং আরও বেশি ও ভালো কর্মসংস্থান তৈরির জন্য জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে। এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্যঁ পেসমে (বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের প্রধান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩.৪ শতাংশ (চলতি অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি), ৩.৯ শতাংশ (২০২৭-২৮ অর্থবছরের পূর্বাভাস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!