📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক অবদান ও বৈশ্বিক অবস্থান: জিডিপি বৃদ্ধিতে ২০ শতাংশের সম্ভাবনা

নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক অবদান ও বৈশ্বিক অবস্থান: জিডিপি বৃদ্ধিতে ২০ শতাংশের সম্ভাবনা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা (এসএমই) খাতের ভূমিকা অপরিসীম। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নারী উদ্যোক্তারা বৈশ্বিক উচ্চ-সম্ভাবনাময় ব্যবসার ৪০ শতাংশ পরিচালনা করছেন। লিঙ্গবৈষম্য দূর করলে বিশ্ব জিডিপি ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ঋণ ও পুনর্বিনিয়োগ তহবিল চালু হয়েছে, তবে ডিজিটাল লিটারেসি ও বাজার সংযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে

বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা (এসএমই) খাতের অবদান অপরিসীম। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী মোট ব্যবসার প্রায় ৯০ শতাংশই ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রকৃতির। এগুলো মোট কর্মসংস্থানের অর্ধেকেরও বেশি জোগায়। তবে এই অর্থনৈতিক চক্রে নারী উদ্যোক্তাদের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব অর্থনীতিতে নারী উদ্যোক্তাদের অবদান ও তাদের অবস্থান নিয়ে গবেষণা প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক ও গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ মনিটর।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিশ্বব্যাংকের ‘উইমেন, বিজনেস অ্যান্ড দ্য ল ২০২৬’ রিপোর্টে দেখা যায়, নারীরা পুরুষদের তুলনায় গড়ে মাত্র ৬৭ শতাংশ আইনি অধিকার ভোগ করেন; আইনি সুরক্ষা কার্যকর করার মতো মাত্র ৪৭ শতাংশ নীতি বিদ্যমান
  • 📌 প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা মালিকানায় নারী-পুরুষ অনুপাত গড়ে ০.৬৯; নারী উদ্যোক্তারা বৈশ্বিক উচ্চ-সম্ভাবনাময় নতুন ব্যবসার প্রায় ৪০ শতাংশ পরিচালনা করেন
  • 📌 ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ট্রেন্ড অনুযায়ী, প্রায় ২৫ শতাংশ নারী নতুন ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন; আর ৫৮ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা হওয়ার কথা বিবেচনা করছেন
  • 📌 লিঙ্গবৈষম্য দূর করলে বিশ্ব জিডিপি ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ৩৬ মিলিয়নেরও বেশি ছোট ব্যবসা রয়েছে; এর মধ্যে নারীরা ১৫.৭ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবসা পরিচালনা করেন (৪০ থেকে ৪০.৬ শতাংশ)
  • 📌 কানাডায় ২০২৬ সালে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ১৭৩.৭ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে
  • 📌 বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ পুনর্বিনিয়োগ তহবিল ও কম সুদের ঋণ ব্যবস্থা করা হচ্ছে, তবে ডিজিটাল লিটারেসি ও বাজার সংযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা (এসএমই) খাতের ভূমিকা অপরিসীম। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী মোট ব্যবসার প্রায় ৯০ শতাংশই ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রকৃতির। এগুলো মোট কর্মসংস্থানের অর্ধেকেরও বেশি জোগায়। তবে এই অর্থনৈতিক চক্রে নারী উদ্যোক্তাদের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাংকের ‘উইমেন, বিজনেস অ্যান্ড দ্য ল ২০২৬’ রিপোর্টে দেখা যায়, নারীরা পুরুষদের তুলনায় গড়ে মাত্র ৬৭ শতাংশ আইনি অধিকার ভোগ করেন। আইনি সুরক্ষা কার্যকর করার মতো মাত্র ৪৭ শতাংশ নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বিদ্যমান রয়েছে।

গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ মনিটর রিপোর্ট অনুসারে, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা মালিকানার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের অনুপাত গড়ে ০.৬৯। তবে নারী উদ্যোক্তারা বৈশ্বিক উচ্চ-সম্ভাবনাময় নতুন ব্যবসার প্রায় ৪০ শতাংশ পরিচালনা করেন। এছাড়াও, ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ট্রেন্ড বলছে, প্রায় ২৫ শতাংশ নারী নতুন ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন। অন্যদিকে, ৫৮ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা হওয়ার কথা বিবেচনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা খাতে লিঙ্গবৈষম্য দূর করা গেলে বিশ্ব জিডিপি ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সুবিধা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ৩৬ মিলিয়নেরও বেশি ছোট ব্যবসা রয়েছে। এর মধ্যে নারীরা ১৫.৭ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবসা পরিচালনা করেন, যা মোট ফার্মের প্রায় ৪০ থেকে ৪০.৬ শতাংশ। তবে এর বড় একটি অংশ সোলপ্রেনিউরশিপ হওয়ায় নারী মালিকানাধীন ফার্মগুলোর গড় বার্ষিক আয় পুরুষদের তুলনায় অনেক কম। কানাডায়, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৬ সালে এই তহবিলে অতিরিক্ত ১৭৩.৭ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে, যা নারী নেতৃত্বাধীন ক্ষুদ্র ব্যবসার বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশেও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ পুনর্বিনিয়োগ তহবিল, কম সুদের ঋণ এবং জামানতহীন অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডিজিটাল লিটারেসি, সহজ শর্তে ঋণ এবং বাজার সংযোগ বাড়াতে পারলে এই খাতের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব।

"লিঙ্গবৈষম্য দূর করলে বিশ্ব জিডিপি ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী (বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপ, বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নারী উদ্যোক্তারা (বিশ্বব্যাংক, গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ মনিটর, বাংলাদেশ ব্যাংক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ (শতাংশ), ৬৭ (শতাংশ), ৪৭ (শতাংশ), ০.৬৯ (অনুপাত), ৪০ (শতাংশ), ২৫ (শতাংশ), ৫৮ (শতাংশ), ২০ (শতাংশ), ৩৬ (মিলিয়ন), ১৫.৭ (মিলিয়ন), ১৭৩.৭ (মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖