📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহ পদ্ধতি চালু: সরকারের নতুন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে?

সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহ পদ্ধতি চালু: সরকারের নতুন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে?

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ সরকার সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। চারটি বিদ্যমান স্কিমের পাশাপাশি এই নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে অধিক মানুষকে আর্থিক নিরাপত্তার আওতায় আনা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, বিনিয়োগ মডেল ও আস্থা জাগ্রত করার বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে

বাংলাদেশ সরকার সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের অধিকাংশ মানুষকে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে চায় সরকার। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত মোট নিবন্ধিত গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ ৮০ হাজার। তবে চারটি স্কিমের মধ্যে সমতা স্কিমে সর্বোচ্চ নিবন্ধন হয়েছে, অন্য তিনটি স্কিমে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা বেশ কম। এই প্রেক্ষাপটে শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি চালু করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়াতে চায় কর্তৃপক্ষ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি চালু হবে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির চারটি বিদ্যমান স্কিমের পাশাপাশি, যা গ্রাহকদের জন্য দুটি অপশন সৃষ্টি করবে — প্রচলিত মুনাফা পদ্ধতি বা শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি।
  • 📌 ২০২৩ সালে চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত মোট নিবন্ধিত গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ ৮০ হাজার, যার মধ্যে ৩২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়েছে।
  • 📌 সমতা স্কিমে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৭ হাজার ২২৪ জন নিবন্ধিত হলেও, সুরক্ষা, প্রবাস ও প্রগতি স্কিমে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা বেশ কম।
  • 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। আইনগত ভিত্তি তৈরির জন্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হবে এবং তা জাতীয় সংসদে পাঠানো হবে।
  • 📌 শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতিতে বিনিয়োগের মডেল, গ্রাহকদের আস্থা জাগ্রত করার বিষয় এবং সুদমুক্ত বিনিয়োগের নিশ্চয়তা — এগুলো অর্থনীতিবিদদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

📰 বিস্তারিত

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ কামরুল হাসান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, শরিয়াহভিত্তিক স্কিম কোনো আলাদা পঞ্চম স্কিম নয়, বরং বিদ্যমান চারটি স্কিমেরই ইসলামিক ভার্সন। তিনি বলেছেন, “প্রবাস স্কিমের প্রবাস শরিয়া বলে আরেকটা পার্ট থাকবে। একইভাবে প্রগতি, সুরক্ষা এবং সমতা স্কিমের ক্ষেত্রেও থাকবে। অর্থাৎ এই চারটাতেই লোকজন ইচ্ছা করলে প্রচলিত যে মুনাফার সিস্টেম সেটাতেও ঢুকতে পারবে, অথবা শরিয়াহ পদ্ধতির ভেতরেও ঢুকতে পারবে।”

শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি চালু করার জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং স্থানীয় পরামর্শকদের সাথে কাজ চলছে। তারা কাঠামো, পরিচালনা পদ্ধতি, বিনিয়োগ ব্যবস্থা ও কারিগরি বিষয় নির্ধারণে সহায়তা করছেন। পাশাপাশি, শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতির আর্থিক স্থায়িত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের বিষয়েও বিশ্লেষণ করা হবে। তবে, শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি চালুর ক্ষেত্রে আলাদা কোনো শরিয়া বোর্ড গঠন করা হবে কি না, সুকুক বন্ডসহ কোন কোন জায়গায় বিনিয়োগ করা যায় — এসব বিষয়ে এখন পর্যালোচনা চলছে।

শেখ কামরুল হাসান আরও জানান, “বাংলাদেশ ব্যাংকের শরিয়া বোর্ড এবং সরকারের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত শরিয়া অথরিটি আছে, তাদের কাছ থেকেই আপাতত পরামর্শ নেওয়া হবে।”

অর্থনীতিবিদ ও আর্থিক খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, শরিয়াহভিত্তিক পেনশন তহবিল সুদ নিতে পারবে না। তাহলে বিনিয়োগ হবে কোথায়? তারা বলছেন, শুধু নামে শরিয়াহ বললে হবে না, গ্রাহককে বিশ্বাস করাতে হবে যে তার টাকা সত্যিই সুদমুক্ত ও হালাল খাতে বিনিয়োগ হচ্ছে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী ব্যাংকিং খাতে কিছু প্রতিষ্ঠানের খারাপ অবস্থার কারণে বাংলাদেশে শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকিং নিয়ে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে। এই ধারণা দূর করারও প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

"দেশে এক শ্রেণির মানুষ সুদভিত্তিক পেনশন স্কিমের বিষয়টি গ্রহণ না করে বরং এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন,"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ কামরুল হাসান (জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা (সর্বজনীন পেনশনে জমা), ২ লাখ ৮৭ হাজার ২২৪ জন (সমতা স্কিমে নিবন্ধিত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖