📅 ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কর ব্যবস্থাপনা সংস্কারের কাঠামো পরিবর্তন: নীতি ও প্রশাসন আলাদা করলে রাজস্ব বাড়বে কি?

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
কর ব্যবস্থাপনা সংস্কারের কাঠামো পরিবর্তন: নীতি ও প্রশাসন আলাদা করলে রাজস্ব বাড়বে কি?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের কর ব্যবস্থাপনা সংস্কারের জন্য বর্তমান সরকার নীতি ও প্রশাসনকে আলাদা বিভাগে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে যে, এই সংস্কার কতটা কার্যকর হবে? প্রাক্তন অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে এনবিআর ভেঙে দুটি বিভাগ করা হলেও কর্মকর্তাদের প্রতিবাদ ও অচলাবস্থার কারণে প্রকৃত ফলাফল অজ্ঞাত। কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬-৭ শতাংশে থাকায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে

বাংলাদেশের কর ব্যবস্থাপনা সংস্কারের জন্য বর্তমান সরকার নীতি ও প্রশাসনকে আলাদা বিভাগে বিভক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে যে, এই সংস্কার কতটা কার্যকর হবে? প্রাক্তন অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি আলাদা বিভাগে বিভক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। একটি বিভাগ করের নীতি ও নিয়মকানুন নির্ধারণ করবে, আর অন্যটি মাঠে গিয়ে কর আদায় করবে। এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ছিল করদাতাদের, বিশেষত ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের সুরাহা করা এবং কর আদায় বৃদ্ধি করা। বর্তমান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও এই সংস্কারের কথা উল্লেখ করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রাক্তন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬ সালে এনবিআর ভেঙে দুটি আলাদা বিভাগে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেয়, কিন্তু কর্মকর্তাদের প্রতিবাদে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রভাব পড়ে।
  • 📌 বর্তমান সরকার সাংসদীয় কমিটিতে সংস্কার পরিকল্পনা পর্যালোচনার জন্য পাঠিয়েছে, কিন্তু আইনি ও রাজনৈতিক বাধা থাকায় প্রকৃত পরিবর্তন এখনও ঘটেনি।
  • 📌 কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬-৭ শতাংশে থাকায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন, যা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে তুলেছে।
  • 📌 নীতি ও প্রশাসনকে আলাদা করে দিলেও করদাতাদের অভিযোগ কমে যাবে কি না, তা সন্দেহের বিষয়। যদি নীতি নির্ধারণকারী কর্মকর্তারা মাঠের বাস্তবতা না বুঝেন, তাহলে আইন কাগজে সুন্দর দেখাবে না বাস্তবে কার্যকর হবে না।
  • 📌 অটোমেশন, করের আওতা বাড়ানো এবং করদাতাদের হয়রানিমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা দরকার, শুধু কাঠামো পরিবর্তনেই সমাধান হবে না।

📰 বিস্তারিত

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এনবিআর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। মূল কাঠামো ছিল নীতি ও প্রশাসনকে আলাদা করে দেওয়া। একটি দল করের নিয়মকানুন ও নীতি বানাবেন, আর অন্যটি মাঠে গিয়ে সেই কর আদায় করবেন। এই সংস্কারের লক্ষ্য ছিল করব্যবস্থা নিয়ে করদাতাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের সুরাহা করা এবং কর আদায় বৃদ্ধি করা। কিন্তু বাস্তবে এই সংস্কার কতটা ফল দেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

প্রাক্তন সরকারের সময় এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই সংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। টানা দুই মাসেরও বেশি সময় রাজস্ব বিভাগে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়, যার প্রভাব পড়ে দেশের আমদানি-রপ্তানি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে। কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন যে, যদি পুরোনো কর্মকর্তারা নীতি বিভাগে থাকে, তবে তারা শুধু টাকা আদায়ের উপায় খুঁজবেন, নতুন করদাতা খোঁজার চেষ্টা করবেন না। ফলে পুরোনো ও সৎ ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হবে।

অচলাবস্থা দূর করতে এবং কর্মকর্তাদের আন্দোলন দমাতে তৎকালীন সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেয়। অনেক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয় এবং কেউ কেউ চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। যাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা ছিলেন। পরে সরকার কিছু পরিবর্তন আনে, কিন্তু সংস্কার পরিকল্পনা আইনে রূপ দেয়নি। বর্তমান নির্বাচিত সরকারও বিষয়টি সাংসদীয় কমিটির কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠিয়েছে।

কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬ থেকে ৭ শতাংশে থাকায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন। সংস্কারবাদীরা বলেন, যদি কর আদায়ের লক্ষ্য পূরণকারী কর্মকর্তারা করের নিয়ম বানান, তবে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হবে। তারা শুধু চলতি মাসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণেই বেশি ব্যস্ত থাকবেন। কিন্তু নীতি ও প্রশাসনকে আলাদা করে দিলেও করদাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা দূর হবে না। রাজস্ব বাড়াতে দরকার অটোমেশন, করের আওতা বাড়ানো এবং সাধারণ করদাতাদের হয়রানিমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।

"যিনি কর আদায়ের লক্ষ্য পূরণ করবেন, তিনি যদি করের নিয়ম বানান, তবে একধরনের ‘স্বার্থের সংঘাত’ তৈরি হয়। তখন কর্মকর্তারা দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবসার প্রসারের চেয়ে শুধু চলতি মাসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণেই বেশি ব্যস্ত থাকবেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, এনবিআর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: কর-জিডিপি অনুপাত ৬-৭ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖