📌 জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম ফেসবুকে পোস্ট করে দাবি করেছেন, মাল্টা, পোলাওয়ের চাল ও ডিমের দাম বাড়ানো হচ্ছে অসাধু সিন্ডিকেটের হাত ধরে। তিনি দাবি করেছেন, আমদানির তথ্য অনুযায়ী দাম বাড়ার কোনো যুক্তি নেই।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ফেসবুকে একটি তীব্র পোস্ট প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মাল্টা, পোলাওয়ের চাল ও ডিমের দাম বাড়ানো হচ্ছে অসাধু সিন্ডিকেটের হাত ধরে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পিছনে সিন্ডিকেটের ভূমিকা নিয়ে তিনি তীব্র অভিযোগ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাল্টার দাম: প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা বিক্রি হলেও আমদানির খরচ মাত্র ৮৭ টাকা, সর্বোচ্চ ২১০ টাকা হওয়া উচিত ছিল।
- 📌 পোলাওয়ের চালর দাম: ১২০ টাকার চাল বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়, গত তিন মাসে অসাধু সিন্ডিকেটের পকেটে লোপাট হয়েছে বলে অভিযোগ।
- 📌 ডিমের দাম: অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রতি ডজন ১২০ টাকা থেকে বেড়েছে ১৬০ টাকা, মুরগির খাবারের দাম বৃদ্ধি বিবেচনায় প্রতিটি ডিমের দাম এক টাকা বাড়ার কথা ছিল।
- 📌 সিলিন্ডারর দাম: সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত ১০০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।
- 📌 আমদানির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হয়েছে, তবুও দাম বাড়ছে।
- 📌 নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, ফ্যাসিবাদী আমলের মতো দেশ আবার সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে।
📰 বিস্তারিত
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় নাহিদ ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট প্রকাশ করেন। তিনি মাল্টা, পোলাওয়ের চাল ও ডিমের দাম বাড়ানোর পিছনে অসাধু সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতি কেজি মাল্টা ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু আমদানির নথি অনুযায়ী প্রতি কেজি মাল্টার ক্রয়মূল্য মাত্র ৮৭ টাকা। আমদানি শুল্ক, পরিবহন খরচ ও মুনাফা যোগ করেও প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খরচ ২১০ টাকা হওয়ার কথা। সে হিসাবে খুচরা বাজারে মাল্টার দাম ২৫০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।
তিনি দাবি করেছেন, সরবরাহ সংকটের কথা বলা হলেও আমদানির তথ্য তা সমর্থন করে না। গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে অন্তত ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হয়েছে। তবুও দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। নাহিদ ইসলামের মতে, গত দুই মাসে জনগণের কাছ থেকে অসাধু সিন্ডিকেটের পকেটে কয়েক শ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে।
পোলাওয়ের চালের দামের বিষয়ে তিনি বলেছেন, ১২০ টাকার চাল বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। শুধু পোলাওয়ের চাল থেকেই গত তিন মাসে আনুমানিক দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
ডিমের দামের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রতি ডজন ডিমের গড় দাম ছিল ১২০ টাকা, এখন তা ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, মুরগির খাবারের দাম বাড়ার যুক্তি দেখানো হলেও প্রতিটি ডিমের দাম প্রায় এক টাকা বাড়ার কথা। বেড়েছে পাঁচ টাকা।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত এক হাজার টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, আমদানি পর্যাপ্ত হলে প্রতিদিন অতিরিক্ত কোটি কোটি টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে।
"আমদানি পর্যাপ্ত। তাহলে প্রতিদিন অতিরিক্ত কোটি কোটি টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে—এ প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। ফ্যাসিবাদী আমলের মতো দেশ আবার সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেসবুক পেজ (নাহিদ ইসলাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫০ টাকা, ৮৭ টাকা, ২১০ টাকা, ২২ শতাংশ, ১২০ টাকা, ২৪০ টাকা, ১৬০ টাকা, ১২ কেজি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!