📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহের তরুণী উদ্যোক্তা সুমাইয়া: টিউশনির টাকা দিয়ে শুরু করে কৃত্রিম ফুলের ব্যবসায়ে আজ ১০-১২ হাজার আয়

ময়মনসিংহের তরুণী উদ্যোক্তা সুমাইয়া: টিউশনির টাকা দিয়ে শুরু করে কৃত্রিম ফুলের ব্যবসায়ে আজ ১০-১২ হাজার আয়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের গৌরীপুরের সুমাইয়া আক্তার (২৪) টিউশনির ১৯০০ টাকা দিয়ে শুরু করে কৃত্রিম ফুলের ব্যবসায়ে এখন মাসে ১০-১২ হাজার আয় করছেন। পাইপ ক্লিনার দিয়ে তৈরি ফুলের তোড়া বিক্রি করে তিনি নিজের উদ্যোগ গড়ে তুলেছেন।

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার তরুণী উদ্যোক্তা সুমাইয়া আক্তার (২৪) টিউশনির টাকা দিয়ে শুরু করে আজ কৃত্রিম ফুলের ব্যবসায়ে নিজের একটা স্বপ্ন গড়ে তুলেছেন। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন উদ্যানের পাশে বসে তিনি তার তৈরি ফুলের তোড়া বিক্রি করছেন। ফুলের মতো দেখতে হলেও সহজে নষ্ট হয় না এই পণ্যগুলো। সুমাইয়া বলেন, ‘যত্নে রাখলে দীর্ঘদিন ভালো থাকে’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **সুমাইয়া আক্তার (২৪)**: ময়মনসিংহের গৌরীপুরের বাসিন্দা, সমাজকর্মে স্নাতক, স্বামী বাহার উদ্দিনের সাথে ত্রিশালে বসবাস
  • 📌 **উদ্যোগের শুরু**: টিউশনির ১৯০০ টাকা দিয়ে ২০২১ সালে হস্তশিল্পের কাজ শুরু, পরে কৃত্রিম ফুলের তোড়া তৈরিতে মনোনিবেশ
  • 📌 **আয়**: মাসে ১০-১২ হাজার টাকা আয়, একটি তোড়া বিক্রি হয় ৮০ থেকে ১০০০ টাকা (সীমিত বিক্রি)
  • 📌 **উপকরণ**: প্রধান উপকরণ পাইপ ক্লিনার (চীন/জাপান থেকে আমদানি), একটি তোড়া তৈরিতে ২৫০-৩০০ টাকা খরচ
  • 📌 **স্বামীর ভূমিকা**: বাহার উদ্দিন উপকরণ সংগ্রহ থেকে প্যাকেজিং পর্যন্ত সুমাইয়ার পাশে সহযোগিতা করছেন

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন উদ্যানে ফুলের তোড়া নিয়ে বসেন সুমাইয়া। শুরুতে কিছুটা চিন্তায় ছিলেন, কিন্তু ক্রেতাদের সাড়া পেয়ে আজ আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘অনলাইনে নিজের তৈরি পণ্য বিক্রি করছি। মানুষের আগ্রহ দেখে এখন আরো আত্মবিশ্বাস বেড়েছে’।

সুমাইয়ার উদ্যোগের শুরু ২০২১ সালের শেষ দিকে। প্রথমে ছবি আঁকতেন, পাঞ্জাবি, শাড়ি ও ফটোফ্রেম তৈরি করতেন। কিন্তু অনলাইনে সেসব বিক্রি কমতে থাকায় তিনি নতুন চেষ্টা শুরু করেন। ফেসবুকে পাইপ ক্লিনার দিয়ে ফুল তৈরির ভিডিও দেখে আগ্রহী হন। আট-নয় মাস ধরে তিনি নানা নকশার ফুলের তোড়া তৈরি করছেন। ক্রেতার পছন্দমতো রং ও আকার বানানোর সুযোগও দেন।

‘ছোটবেলা থেকেই আর্ট ও ক্রাফটের প্রতি আগ্রহ ছিল। পরিবারের চাপ ছিল চাকরি করবো, কিন্তু আমার টান ছিল এই কাজে’ — সুমাইয়া বলেন। স্বামী বাহার উদ্দিনও তার পাশে আছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আগে পাঞ্জাবি তৈরি করতাম। পরে ভিডিও দেখে নতুন কাজ শিখেছি। কাজটা ভালো, অবসর সময়ে নিজের উদ্যোগ গড়ে তুলতে চাই’।

"আমি পড়াশোনা ও সংসারের কাজের পাশাপাশি এই উদ্যোগ চালিয়ে যেতে চাই। অনেক নারী ও তরুণ এ ধরনের কাজ করছেন, তাঁদের দেখে উৎসাহ পাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন উদ্যান, ময়মনসিংহ নগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া আক্তার (২৪), বাহার উদ্দিন (স্বামী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০-১২ হাজার টাকা (মাসিক আয়), ২৫০-৩০০ টাকা (একটি তোড়া তৈরির খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖