📌 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় মালচিং পদ্ধতিতে খিরা চাষে কৃষকরা সাফল্য পাচ্ছেন। পলিথিন মালচিং ব্যবহারে জমিতে আগাছা দমন ও সারের অপচয় কমে আসছে। জেলায় এই পদ্ধতিতে ৫ হেক্টর জমিতে খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
সিরাজগঞ্জের কৃষকরা মালচিং পদ্ধতিতে শাকসবজি চাষে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে দুগুণ লাভ পাচ্ছেন। জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায় পলিথিন মালচিং ব্যবহারে খিরা চাষে সাফল্য পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে এই পদ্ধতির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি বিভাগের সহায়তায় প্রশিক্ষিত কৃষকরা সনাতন পদ্ধতির তুলনায় বেশি উৎপাদন ও কম খরচে চাষ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় মালচিং পদ্ধতিতে ৫ হেক্টর জমিতে খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা
- 📌 কৃষক আশরাফুল ইসলামের ১৫ শতক জমিতে পলিথিন মালচিং পদ্ধতিতে খিরা চাষে সাফল্য
- 📌 মালচিং পদ্ধতিতে জমিতে আগাছা জন্মায় না, মাটির রস ধরে রাখে ও সারের অপচয় কমে যায়
- 📌 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী বলেন, বায়োডিগ্রেডেবল মালচিং পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে
- 📌 শিক্ষিত কৃষকদেরও আগ্রহ বাড়ছে আধুনিক কৃষি পদ্ধতিতে চাষের কারণে
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জের কৃষিতে আধুনিকতার ছোঁয়া পড়েছে। জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায় মালচিং পদ্ধতিতে শাকসবজি চাষের মাধ্যমে কৃষকরা সাফল্য পাচ্ছেন। বর্ধনগাছা গ্রামের কৃষক আশরাফুল ইসলামের জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করা খিরার গাছের তিন থেকে চারটি পাতা গজিয়েছে। তিনি বলেন, “মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করলে জমিতে আগাছা জন্মায় না, মাটির রস ধরে থাকে এবং সারের অপচয় হয় না। এতে উৎপাদন বেড়েছে দুই থেকে তিন গুণ।”
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই মৌসুমে মালচিং পদ্ধতিতে খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হেক্টর। স্থানীয় কৃষি বিভাগের উৎসাহে আশরাফুল ইসলামের মতো বেশ কয়েকজন কৃষক এই পদ্ধতিতে চাষ করছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী বলেন, “মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করলে মাটির আদ্রতা ধরে রাখা যায়, আগাছা দমন হয় এবং মাটির গুণগত মান বজায় থাকে। এছাড়াও, পলিথিনের বদলে বায়োডিগ্রেডেবল মালচিং পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকদেরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।”
সিরাজগঞ্জে কৃষি লাভজনক হওয়ায় শিক্ষিত কৃষকদেরও আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ ও সহায়তায় কৃষকরা মালচিং পদ্ধতিতে শাকসবজি চাষের মাধ্যমে বেশি লাভ পাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করলে ফসলের উৎপাদন বাড়ে এবং খরচ কমে যায়। এতে কৃষকদের আর্থিক লাভও বেড়ে যায়।”
"মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করলে জমিতে আগাছা জন্মায় না, মাটির রস ধরে থাকে এবং সারের অপচয় হয় না। এতে উৎপাদন বেড়েছে দুই থেকে তিন গুণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উল্লাপাড়া উপজেলা, সিরাজগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষক আশরাফুল ইসলাম, কৃষিবিদ সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হেক্টর (লক্ষ্যমাত্রা), ১৫ শতক (আশরাফুল ইসলামের জমি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!