📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্প বিপর্যস্ত: বিদ্যুৎ লোডশেডিং ও সুতা-রঙের দাম বৃদ্ধি চরম সংকটে ফেলেছে তাঁতিদের

সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্প বিপর্যস্ত: বিদ্যুৎ লোডশেডিং ও সুতা-রঙের দাম বৃদ্ধি চরম সংকটে ফেলেছে তাঁতিদের

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্পে বিদ্যুৎ লোডশেডিং ও সুতা-রঙের দাম বৃদ্ধির কারণে ৩ লাখেরও বেশি তাঁত বন্ধের মুখে। ৫ লাখ পরিবার সংকটে। সরকারের দাবি: দ্রুত হস্তক্ষেপ নিতে হবে

সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্পে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। বিদ্যুতের লোডশেডিং, সুতা ও রঙের দাম বৃদ্ধির কারণে জেলার অধিকাংশ তাঁত কারখানা বন্ধের মুখে। উৎপাদন খরচের সাথে তুলনা করে কাপড় বিক্রি করা সম্ভব নয় বলে মালিকদের অভিযোগ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের ৩ লাখেরও বেশি তাঁত বন্ধের উপক্রম হয়েছে, যার সাথে ৫ লাখ পরিবার সংযুক্ত
  • 📌 ৬০ কাউন্ট সুতার দাম ২৭৫-২৮০ টাকা থেকে বেড়েছে ২৯৩-২৯৫ টাকায়, প্রতি পাউন্ডে ১০-১৫ টাকা বৃদ্ধি
  • 📌 বিদ্যুতের লোডশেডিং ও জেনারেটর চালানোর খরচে (১ লিটার তেল ১০৬ টাকা) উৎপাদন খরচ বেড়েছে
  • 📌 শ্রমিক সংকটের কারণে উৎপাদন কমে গেছে, মজুরি বাড়ানোর দাবি পূরণ না হওয়ায় শ্রমিকরা কাজ ছেড়ে দিচ্ছেন
  • 📌 সরকারের দাবি: সুতা, রঙ ও যন্ত্রাংশের দাম কমাতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, কামারখন্দ, বেলকুচি, এনায়েতপুর, রায়গঞ্জ, চৌহালী ও কাজীপুর উপজেলায় অবস্থিত ৩ লাখেরও বেশি তাঁত কারখানায় ৫ লাখ পরিবার জড়িত। এই শিল্পের উৎপাদিত শাড়ি, লুঙ্গি ও গামছা দেশের বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি হয় এবং ইউরোপ, আমেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। জেলার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে তাঁত শিল্পকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে "তাঁতকুঞ্জ সিরাজগঞ্জ" নামে।

তাঁত মালিকদের অভিযোগ, বর্তমানে ৬০ কাউন্ট সুতার দাম প্রতি পাউন্ডে ২৯৩ থেকে ২৯৫ টাকা হয়েছে, যা দুই মাস আগের তুলনায় ২৭৫ থেকে ২৮০ টাকা থেকে ১০-১৫ টাকা বেশি। কোরিয়ান ব্র্যান্ড স্যামসুংের মাকুর দামও ১ হাজার ৩০০ টাকা হয়েছে, যা দেড় মাস আগের তুলনায় ১ হাজার ২০ টাকা থেকে বেড়েছে। বিদ্যুতের লোডশেডিং অব্যাহত থাকায় জেনারেটর চালানোর খরচও বেড়েছে। ১ লিটার তেলের দাম ১০৬ টাকা হয়েছে, যা উৎপাদন খরচকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।

বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের তাঁতি আমিরুল ইসলাম বলেন, "সুতার দাম বৃদ্ধি, বিদ্যুতের লোডশেডিং ও যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে। কিন্তু উৎপাদিত কাপড় হাটে বেশি দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।" শাহজাদপুর উপজেলার খুকনি গ্রামের তাঁতি সোহরাব আলী বলেন, "চরম লোকসানে পড়েছি। শ্রমিকের অভাবে উৎপাদন কমে গেছে। তারা মজুরি বাড়ানোর দাবি করছেন, কিন্তু বাজারে সুতা, রঙ ও যন্ত্রাংশের দাম তাতে উৎপাদন খরচ উঠছে না।"

"এই শিল্পের ওপর সরকারের কোন নজর নেই। সুতা, রং সহ যন্ত্রাংশের দাম কমাতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।"

বাংলাদেশ হ্যান্ডলুম অ্যান্ড পাওয়ার লুম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. বদিউজ্জামান বলেন, "সুতার দাম প্রতি পাউন্ডে সাত থেকে আট টাকা করে বাড়ছে। যন্ত্রাংশের দামও চরমভাবে বেড়েছে। লোডশেডিং অব্যাহত থাকায় জেলার অনেক তাঁত বন্ধের উপক্রম হয়েছে।" সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, "সিরাজগঞ্জ তাঁত শিল্প অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। সরকারের দৃষ্টি থাকতে হবে এই শিল্পকে বাঁচাতে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা (শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, বেলকুচি, এনায়েতপুর, রায়গঞ্জ, চৌহালী, কাজীপুর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমিরুল ইসলাম, সোহরাব আলী, মো. বদিউজ্জামান, সাইদুর রহমান বাচ্চু, তম্বি (বেলকুচি তাঁত উন্নয়ন বোর্ডের লেয়াজো অফিসার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ (তাঁত), ৫ লাখ (পরিবার), ৬০ কাউন্ট সুতার দাম ২৯৩-২৯৫ টাকা, ১০৬ টাকা (১ লিটার জেনারেটর তেল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖