📌 সীমান্ত ব্যাংক বিজিবি কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায় ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে। ব্যাংকটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা ও ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে দেশের সীমান্ত ও দুর্গম অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিচ্ছে। সীমান্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নুরুল আজীম বলেছেন, তাদের উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষ অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হচ্ছেন
বিজিবি কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানাধীন সীমান্ত ব্যাংক দেশের সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে ‘সীমাহীন আস্থা’ স্লোগান নিয়ে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে। এই বাণিজ্যিক ব্যাংক বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে চলেছে। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক এবং উন্নত গ্রাহকসেবার মাধ্যমে সীমান্ত ব্যাংক দেশের কেন্দ্র থেকে প্রান্ত পর্যন্ত সমান সেবা প্রদান করছে। বিশেষত সাধারণ ভোক্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মানুষ, নারী উদ্যোক্তা এবং অন্যান্য উদ্যোগীদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে তারা অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর** সীমান্ত ব্যাংক যাত্রা শুরু করে বিজিবি কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায় এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকিং সেবা শুরু করে বিজিবি সদস্যসহ সাধারণ জনগণের জন্য।
- 📌 **প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক** এবং **উন্নত গ্রাহকসেবা** দিয়ে সীমান্ত ব্যাংক দেশের সীমান্ত ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনে।
- 📌 **ছোট ঋণ** দিয়ে উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিচ্ছে — **ঋণখেলাপি হার খুব কম** এবং উদ্যোক্তারা সময়মতো কিস্তি পরিশোধ করছেন।
- 📌 **সীমান্ত এলাকায় ৭টি শাখা** স্থাপন করে প্রান্তিক মানুষকে ব্যাংকিং সেবার নেটওয়ার্কে যুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 **সাইবার নিরাপত্তা** জোরদার করে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।
- 📌 **ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ ‘কানেক্ট’** এবং **‘কানেক্ট প্লাস’** দিয়ে ২৪/৭ সেবা প্রদান করা হয়।
- 📌 **ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ** এবং **নারী উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতবিহীন ঋণ** প্রদান করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে।
📰 বিস্তারিত
সীমান্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নুরুল আজীম বলেছেন, সীমান্ত এলাকা ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার ক্ষেত্রে ব্যাংকটি বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার নেটওয়ার্কে যুক্ত করে নিয়মিত ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করানো হয়েছে। উদ্যোক্তাদের ছোট ছোট ঋণ দিয়ে তাদের উদ্যোগগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলছে। এই ঋণখেলাপি হওয়ার হার খুবই কম এবং উদ্যোক্তারা সময়মতো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করছেন।
সীমান্ত ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা ও অভ্যন্তরীণ নীতির পাশাপাশি ঋণ বিতরণ ও তদারকি করে থাকে। ঋণ বিতরণের পরে নিয়মিত তদারকি করা হয় এবং ঋণ পরিশোধে অসুবিধা হলে দ্রুত যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়। প্রথাগত ব্যাংকিংয়ের বাইরে গিয়ে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ ‘কানেক্ট’ এবং ‘কানেক্ট প্লাস’ চালু করেছে। এছাড়া ২৪/৭ কল সেন্টার দিয়ে ২৪ ঘণ্টা কাস্টমার সেবা প্রদান করা হয়।
সীমান্ত ব্যাংক দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশের জন্য ‘আস্থা’ ও ‘দিশারী’ ঋণসেবা প্রদান করে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতবিহীন ঋণ ‘সীমান্ত প্রেরণা’ এবং প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য ‘সীমান্ত প্রান্তিক উদ্যোগ’ ও ‘নারী শক্তি’সহ বিভিন্ন ঋণসেবা দিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে। বিশেষ করে যশোরের গদখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চম্বকনগর এবং কুষ্টিয়ার প্রাগপুরে শাখা স্থাপন করে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করছে।
সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য ব্যাংকটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার ঝুঁকির ধরন পরিবর্তিত হচ্ছে বলে নিরাপত্তাকৌশলকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রাহকের আস্থা ও আমানতকারীর স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে।
"সীমান্ত এলাকা ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষকে আমরা প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার নেটওয়ার্কে যুক্ত করছি। ছোট ছোট ঋণের মাধ্যমে তাঁদের উদ্যোগগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছি এবং তাঁরা অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হচ্ছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সীমান্ত এলাকা, যশোর (গদখালী), ব্রাহ্মণবাড়িয়া (চম্বকনগর), কুষ্টিয়া (প্রাগপুর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নুরুল আজীম (সীমান্ত ব্যাংকের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (শাখা প্রতিষ্ঠা বছর), ৭ (সীমান্ত শাখা), ২৪ (ঘণ্টা সেবা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!