📌 লোহিত সাগরে হামলার কারণে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০৭ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে গেছে
লোহিত সাগরে হুতিদের হামলার পর সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আজ বুধবার ব্যারেলপ্রতি ১০৭ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে যাওয়ায় তেলের দাম কমে গেছে। বিনিয়োগকারীরা সরবরাহ ঝুঁকি এবং ইয়ানবু বন্দরে তেল সরবরাহের সম্ভাব্য ঝুঁকি পর্যালোচনা করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৩ সেন্ট কমে ১০৭ ডলার ৮২ সেন্টে নেমেছে
- 📌 ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) দাম ৯৭ সেন্ট কমে ১০৪ ডলার ৮৬ সেন্টে এসেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত ৭ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল বেড়েছে
- 📌 সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ থাকায় দৈনিক ৪০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ বন্ধ
- 📌 লিবিয়ায় তিনটি তেলক্ষেত্রের কার্যক্রম বন্ধ, কিন্তু উৎপাদনে বড় প্রভাব পড়েনি
📰 বিস্তারিত
লোহিত সাগরে ইয়েমেনের হুতিদের হামলার পর সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আজ ব্যারেলপ্রতি ১০৭ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৯৭ সেন্ট কমে ১০৪ ডলার ৮৬ সেন্টে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার উভয় তেলের দাম ১৯ মের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। ইয়ানবু বন্দরে তেল ওঠানো বন্ধ হওয়ায় সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ এবং ইউরোপে সৌদি আরবের তেল সরবরাহ কমে যাওয়ার জেরে দাম বেড়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেল, গ্যাসোলিন ও পরিশোধিত জ্বালানির মজুত বেড়ে গেছে। আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত বেড়েছে ৭ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল মজুত কমবে, কিন্তু বাস্তবে তা বেড়েছে। চীনের ব্রোকারেজ কোম্পানি হাইটং ফিউচার্সের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাসোলিন ও ডিজেলের মজুতও বেড়েছে। তবে বিশ্ববাজারে সরবরাহ এখনো কম থাকায় দামের পরিবর্তন আসেনি।
সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন দিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই তেল সরবরাহ আবার শুরু হবে। তবে পাইপলাইনটি কত দিন বন্ধ থাকবে, সে বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। একজন সূত্র বলেছেন, মেরামতের কাজে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। আরেকজন সূত্রের মতে, মেরামত চলাকালীন পাইপলাইনের একটি অংশ দিয়ে দ্রুত তেল সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হতে পারে।
দক্ষিণ লিবিয়ায় তিনটি তেলক্ষেত্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। দেশটির ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশন জানিয়েছে, বিক্ষোভরত পেট্রোলিয়াম ফ্যাসিলিটিজ গার্ডের সদস্যরা হামাদা-জাওইয়া অপরিশোধিত তেল রপ্তানি পাইপলাইনের ভাল্ভ বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এই ঘটনায় লিবিয়ার তেল উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি। দেশটির এনওসি চেয়ারম্যান মাসউদ সুলেমান বলেছেন, এখনো দৈনিক প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন হচ্ছে।
"সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন দিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই তেল সরবরাহ আবার শুরু হওয়ার কথা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন, ইয়ানবু বন্দর, লোহিত সাগর, লিবিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিনিয়োগকারীরা, সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী, মাসউদ সুলেমান (লিবিয়ার এনওসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৭ ডলার ৮২ সেন্ট (ব্রেন্ট ক্রুডের দাম), ১০৪ ডলার ৮৬ সেন্ট (ডব্লিউটিআই দাম), ৭ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল (মজুত বেড়েছে), ৪০ লাখ ব্যারেল (দৈনিক সরবরাহ), ১৪ লাখ ব্যারেল (লিবিয়ার উৎপাদন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!