📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সঞ্চয়পত্র বিক্রি ৫৭% বৃদ্ধি: সরকারের ঋণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চ্যালেঞ্জ অব্যাহত

সঞ্চয়পত্র বিক্রি ৫৭% বৃদ্ধি: সরকারের ঋণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চ্যালেঞ্জ অব্যাহত

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ৫৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই-আগস্টে বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। তবে সরকারের জন্য এখনো সঞ্চয়পত্রের মূলধন ফেরত দেওয়ার চাপ বেশি রেখেছে

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ৫৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ও আগস্টে মোট ২ হাজার ৪৬৩ কোটি ১২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে বিক্রি হয়েছিল মাত্র ১ হাজার ৫৭২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এই বৃদ্ধি সরকারের জন্য অর্থ সংগ্রহে নতুন আশা জাগিয়ে তুলেছে, কিন্তু পুরনো বিনিয়োগকারীদের মূলধন ফেরত দেওয়ার চাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫৭% বৃদ্ধি: চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ৫৭% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মোট ২ হাজার ৪৬৩ কোটি ১২ লাখ টাকা।
  • 📌 আগস্টে ৪৫% বৃদ্ধি: শুধু আগস্ট মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৪০৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, যা গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১২৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বা ৪৫% বেশি।
  • 📌 ব্যাংক আমানতের তুলনায় বেশি মুনাফা: সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যাংকের তুলনায় সঞ্চয়পত্রে ভালো রিটার্ন পাওয়ার কারণে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।
  • 📌 সরকারের নিট ঋণ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চ্যালেঞ্জ: ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল মাত্র ৪৩৬ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক কম।
  • 📌 মোট বিনিয়োগ ৩ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা: ২০২৬ সালের আগস্টে সঞ্চয়পত্রে গ্রাহকদের মোট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা।

📰 বিস্তারিত

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই ও আগস্টে মোট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি ১২ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৭% বেশি। বিশেষত আগস্ট মাসে বিক্রি হয়েছে ৪০৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, যা গত বছরের একই মাসের ২৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকার তুলনায় ১২৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বা ৪৫% বেশি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যাংকের তুলনায় সঞ্চয়পত্রে তুলনামূলক ভালো মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকায় মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তবে, নতুন বিনিয়োগের অর্থের বড় অংশ পুরনো বিনিয়োগকারীদের মূল টাকা ফেরত দিতে ব্যয় হচ্ছে। ফলে সরকারের হাতে থাকছে তুলনামূলক কম অর্থ।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৯২ হাজার ৫১৩ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল। একই সময়ে পুরনো সঞ্চয়পত্রের মূলধন পরিশোধে ব্যয় হয় ৯২ হাজার ৭৭ কোটি টাকা। ফলে ওই অর্থবছরে এ খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়ায় মাত্র ৪৩৬ কোটি ৬ লাখ টাকা। অথচ বাজেটে সঞ্চয়পত্র থেকে ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ছিল, পরে সংশোধিত বাজেটে এ লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ১১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা করা হয়।

২০২০-২১ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র ছিল সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের অন্যতম প্রধান উৎস। তখন এ খাত থেকে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে নতুন বিনিয়োগের অর্থের বড় অংশ পুরনো বিনিয়োগকারীদের মূলধন ও মুনাফা পরিশোধে চলে যাওয়ায় সরকারের হাতে থাকছে তুলনামূলক কম অর্থ।

"ব্যাংকের আমানতের তুলনায় সঞ্চয়পত্রে তুলনামূলক ভালো রিটার্ন পাওয়ার সুযোগ থাকায় এ খাতে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা (সঞ্চয়পত্র বিষয়ক কর্মকর্তা/ব্যক্তি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭% (বৃদ্ধি), ২ হাজার ৪৬৩ কোটি ১২ লাখ টাকা (বিক্রি), ৪০৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা (আগস্টে বিক্রি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖