📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্রামীণ ঋণগ্রহীতাদের ৭৯% আয় কিস্তি মেটাতে খরচ হচ্ছে: বিডিএস গবেষণা

গ্রামীণ ঋণগ্রহীতাদের ৭৯% আয় কিস্তি মেটাতে খরচ হচ্ছে: বিডিএস গবেষণা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রামীণ পরিবারের ৪২% ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে দরিদ্রতম ২০% পরিবারের ৭৯% আয় কিস্তি মেটাতে খরচ হয়। গবেষণায় উঠে এসেছে ব্যাংক ঋণ থেকে এনজিও ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের দিকে ঋণগ্রহীতাদের প্রবণতা বাড়ছে এবং কৃষিঋণের অংশ কমে ১৬% হয়েছে

গ্রামীণ পরিবারগুলোর ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে দরিদ্রতম ২০ শতাংশ পরিবারের ৭৯ শতাংশ আয় এখন ঋণের কিস্তি মেটাতে খরচ হচ্ছে। গত এক বছরে ঋণগ্রহীতাদের হার বেড়ে ৪২ শতাংশ হয়েছে, যা আগের ৩৬ শতাংশ থেকে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) প্রকাশিত গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি ‘২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশের গ্রামীণ ঋণবাজারের কাঠামোগত রূপান্তর’ শিরোনামে উপস্থাপিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গ্রামে ঋণগ্রহীতাদের হার বেড়ে ৪২ শতাংশ (গত বছরের ৩৬ শতাংশ থেকে)
  • 📌 দরিদ্রতম ২০ শতাংশ পরিবারের ৭৯ শতাংশ আয় কিস্তি মেটাতে খরচ হয় (গতকাল ৪৯ শতাংশ)
  • 📌 গ্রামে প্রতি চারটি ঋণের তিনটি আসছে এনজিও ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে
  • 📌 ব্যাংক ঋণের সুদ ১০ শতাংশ, এনজিওর ঋণে কার্যকর সুদ ২৭ শতাংশ
  • 📌 কৃষিঋণের অংশ কমে ১৬ শতাংশ (গতকাল ২৫ শতাংশ)
  • 📌 হারভেস্টার মালিকদের মাত্র ৫ শতাংশ ব্যাংকঋণে যন্ত্র কিনেছেন

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষক কাজী ইকবালের গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাংকগুলো সরাসরি কৃষককে ঋণ না দিয়ে মূলত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়ন করছে। ফলে গ্রামীণ ঋণের বাজারে ব্যাংকের সরাসরি ভূমিকা অনেকটাই কমেছে। এনজিওর ক্ষুদ্রঋণের মধ্যম আকার প্রকৃত মূল্যে গত এক বছরে দ্বিগুণ হয়েছে। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংকঋণের সুদ ১০ শতাংশ, এনজিওর ঋণে ফ্ল্যাট পদ্ধতিতে ১৫ শতাংশ এবং মহাজনি ঋণে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ। এনজিওর ঋণে ফ্ল্যাট সুদ ১৫ শতাংশ হলেও কার্যকর সুদের হার প্রায় ২৭ শতাংশ।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, কৃষিঋণের অর্থ মূলত সার, বীজ, গবাদিপশু কেনা ও জমি ইজারায় ব্যয় হয়। জমির মালিক নন এমন কৃষকেরা প্রাতিষ্ঠানিক ঋণে পিছিয়ে থাকেন। কিস্তির সময়সূচিও সমস্যা বাড়ায়। এনজিওর কৃষিঋণে সাপ্তাহিকের বদলে মাসিক কিস্তি বেড়েছে, কিন্তু মৌসুমভিত্তিক পরিশোধের ব্যবস্থা স্থায়ী হয়নি। ফসল বিক্রির আগেই কিস্তি দিতে হলে কৃষককে অন্য উৎস থেকে টাকা জোগাড় করতে হয়।

সংলাপে উপস্থাপিত আরেক গবেষণায় বলা হয়, গবাদিপশু পালনে ছয় মাসে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ মুনাফার সম্ভাবনা থাকলেও ঋণ নেওয়া কম। কিস্তির শর্ত, বাজারে প্রবেশের সীমাবদ্ধতা ও আয়ের অনিশ্চয়তা এর কারণ। গবেষণায় বলা হয়, পরীক্ষিত মুনাফা ভাগাভাগির চুক্তিতে বিক্রির পর মুনাফার দুই-তৃতীয়াংশ কৃষক এবং এক-তৃতীয়াংশ অর্থায়নকারী পায়।

"গ্রামে প্রতি চারটি ঋণের তিনটি আসছে এনজিও ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে। ব্যাংক ঋণের সুদ ১০ শতাংশ, এনজিওর ঋণে কার্যকর সুদ ২৭ শতাংশ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সংলাপ), গ্রামীণ বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী ইকবাল (বিআইডিএস গবেষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৯% (দরিদ্রতম পরিবারের আয় কিস্তিতে খরচ), ৪২% (ঋণগ্রহীতাদের হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖