📌 ঢাকার উদ্যোক্তা সাজ্জাদ রাশেদের প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ব্লু করপোরেশন ২০১০ সাল থেকে ফিটনেস সরঞ্জামের সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করছে। বর্তমানে ২৮ হাজার টাকায় শুরু করে বিভিন্ন দামের ট্রেডমিল, এক্সারসাইজ বাইক ও ডাম্বেল বিক্রি করে দেশজুড়ে ২২টি সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করছে প্রতিষ্ঠানটি
ঢাকার উদ্যোক্তা সাজ্জাদ রাশেদের প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ব্লু করপোরেশন ১৬ বছর আগে অনলাইন ব্যবসা হিসেবে শুরু করে বর্তমানে দেশব্যাপী ফিটনেস সরঞ্জামের সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ ও সেবা প্রদান করছে। প্রতিষ্ঠানটি ২৮ হাজার টাকায় শুরু করে বিভিন্ন মূল্যের ট্রেডমিল, এক্সারসাইজ বাইক ও ডাম্বেল সরবরাহ করে ক্রেতাদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১০ সালে অনলাইন ব্যবসা শুরু করে বর্তমানে দেশজুড়ে ২২টি সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করছে রয়্যাল ব্লু করপোরেশন
- 📌 ২৮ হাজার টাকায় শুরু করে ২ লাখ টাকার পর্যন্ত বিভিন্ন মূল্যের ট্রেডমিল, এক্সারসাইজ বাইক ও ডাম্বেল সরবরাহ করছে প্রতিষ্ঠানটি
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রবাসী বাংলাদেশিরাও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের জন্য ফিটনেস সরঞ্জাম কিনছেন
- 📌 বি-অ্যাকটিভ ব্র্যান্ডের হোলসেল ও ডিস্ট্রিবিউশন কার্যক্রমের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করছে প্রতিষ্ঠানটি
- 📌 ঘরে ফিটনেস সরঞ্জামের চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশজুড়ে সেবা কেন্দ্র গড়ে তুলেছে প্রতিষ্ঠানটি
📰 বিস্তারিত
২০১০ সালে অনলাইন ব্যবসা শুরু করে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সেবা প্রদান করছে রয়্যাল ব্লু করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সাজ্জাদ রাশেদ বলেন, শুরুতে অনলাইন ব্যবসা হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলাম। তবে ক্রেতাদের ভালোবাসা ও চাহিদা অনুযায়ী ব্যবসার পরিধি বাড়তে বাড়তে বর্তমানে শোরুম ও বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে সরাসরি সেবা প্রদান করছি।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির শোরুমের পাশাপাশি দেশজুড়ে বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে। সাজ্জাদ রাশেদের ভাষ্য, একসময় একটি ট্রেডমিল কিনতে প্রায় এক লাখ টাকা বা তারও বেশি খরচ হতো। এখন আমরা ২৮ হাজার টাকায় শুরু করে ২ লাখ টাকার পর্যন্ত বিভিন্ন মূল্যের ট্রেডমিল সরবরাহ করছি।
প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি আমদানি করে বিভিন্ন ফিটনেস সরঞ্জাম বিক্রি করছে। পাশাপাশি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘বি-অ্যাকটিভ’-এর হোলসেল ও ডিস্ট্রিবিউশন কার্যক্রমের মাধ্যমে এ ব্র্যান্ডের পণ্যও দেশের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। সাজ্জাদ রাশেদের লক্ষ্য, ক্রেতাদের চাহিদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী ফিটনেস সরঞ্জাম সরবরাহের পাশাপাশি বিক্রির পরও সেবা নিশ্চিত করা।
দেশের মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নগরজীবনের ব্যস্ততা ও যানজটের কারণে ঘরে ফিটনেস সরঞ্জামের চাহিদা বাড়ছে। এই চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের আমদানি করা পণ্য বিক্রির পাশাপাশি বিক্রয়োত্তর সেবায়ও গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দেশজুড়ে তাদের ২২টি সার্ভিস পয়েন্ট রয়েছে, যেখানে ক্রেতাদের মেরামত, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়া হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিরাও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের জন্য ফিটনেস সরঞ্জাম কিনছেন। সাজ্জাদ রাশেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের জন্য ফিটনেস সরঞ্জাম কিনছেন।
"আমরা ক্রেতাদের চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী পণ্য বাজারে আনার চেষ্টা করেছি। ২৮ হাজার টাকার ট্রেডমিল যেমন রয়েছে, তেমনি ৫০ হাজার থেকে শুরু করে এক লাখ বা দুই লাখ টাকার পণ্যও রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মোহাম্মদপুর), দেশজুড়ে ২২টি সেবা কেন্দ্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাজ্জাদ রাশেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ হাজার টাকা (ট্রেডমিলের ন্যূনতম মূল্য), ২২টি সেবা কেন্দ্র
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!