📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরের আলুচাষিরা ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিতে — এক যুগে সাতবার লোকসান

রংপুরের আলুচাষিরা ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিতে — এক যুগে সাতবার লোকসান

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুর বিভাগে বাম্পার আলু উৎপাদনের কারণে কৃষকদের সম্ভাব্য ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। উৎপাদন খরচের চেয়ে দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা হিমাগার থেকে আলু তুলতে অস্বীকার করছেন। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকট দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সম্ভব নয়

রংপুর বিভাগে বাম্পার আলু উৎপাদনের কারণে কৃষকদের সম্ভাব্য ক্ষতি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। উৎপাদন খরচের চেয়ে বাজারদর কমে যাওয়ায় কৃষকরা হিমাগার থেকে আলু তুলতে অস্বীকার করছেন। এক যুগে সাতবার লোকসানের ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও এবারের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুর বিভাগে উৎপাদিত আলু থেকে কৃষকদের সম্ভাব্য ক্ষতি ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি
  • 📌 ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৬ হেক্টর জমিতে উৎপাদিত হয়েছে ৫১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭ টন আলু
  • 📌 হিমাগারে সংরক্ষিত আলুর মাত্র ২৩ শতাংশ (১১ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯২ টন) — বাকি ৭৩ শতাংশ বিক্রি না হওয়ায় পড়ে আছে
  • 📌 উৎপাদন খরচ ১৭-১৮ টাকা/কেজি, কিন্তু বাজারে দাম ১১-১৪ টাকা/কেজি — প্রতি কেজিতে ১৫-১৬ টাকা লোকসান
  • 📌 গত ১২ বছরে (২০১৪-২০২৫) সাত বছরেই আলু চাষে কৃষকদের লোকসান হয়েছে
  • 📌 সরকারি উদ্যোগে আলুর সর্বনিম্ন দর ২২ টাকা/কেজি নির্ধারণ ও ৫০ হাজার টন আলু কেনার ঘোষণা বাস্তবায়িত হয়নি

📰 বিস্তারিত

রংপুর বিভাগের আলুচাষিরা বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন। বাজারে দরপতনের কারণে হিমাগারে সংরক্ষিত আলুর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এখনো বিক্রি না হওয়ায় কৃষকরা লোকসানের মুখে পড়েছেন। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবছর রংপুরে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৬ হেক্টর জমিতে উৎপাদিত হয়েছে ৫১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭ টন আলু। তবে মাত্র ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯২ টন (২৩ শতাংশ) আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাকি ৮ লাখ ৮২ হাজার ২৮৮ টন (৭৩ শতাংশ) এখনো হিমাগারে পড়ে আছে।

বাজারে আলুর দাম কেজিপ্রতি ১১-১৪ টাকা থাকলেও উৎপাদন খরচ ১৭-১৮ টাকা। ফলে প্রতি কেজিতে ১৫-১৬ টাকা লোকসান হচ্ছে। পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কৃষক মিজানুর রহমান জানান, তিনি ৪৯ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছিলেন। ৫ হাজার ২০০ বস্তা আলু হিমাগারে রাখা অবস্থায় ৩ হাজার ১৪২ বস্তা বিক্রি করে পেয়েছেন ১৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। কিন্তু হিমাগার ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাদে অবশিষ্ট আলু থেকে যে টাকা উঠবে, তা নিয়ে তিনি গভীর সংশয়ে আছেন।

আতাউর রহমানের মতো অনেক কৃষকই আলু তোলাই বন্ধ রেখেছেন। নগরমীরগঞ্জ এলাকার কৃষক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এ দামে আলু তুললে কেজিতে সাড়ে ১৫ থেকে ১৬ টাকা লোকসান হবে।’ তিনি দু’টি হিমাগারে ৫০০ বস্তা আলু রেখেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ভর্তুকি নয়, আলুর বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানো, রফতানি সম্প্রসারণ এবং আলুভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সম্ভব।

"সরকার কৃষককে ভর্তুকি দিক, প্রয়োজনে কিছু আলু কিনে নিক"

— **মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু**, বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি

কৃষি অর্থনীতিবিদ রায়ান আহমেদ রাজু দাবি করেন, ‘কৃষকের হিমাগার ভাড়ার ৫০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া যেতে পারে, অথবা আলুচাষিকে মূল্য সহায়তা দিয়ে লোকসান থেকে রক্ষা করা যেতে পারে।’ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা পরামর্শ দিয়েছেন, কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে আলু চাষ করতে হবে এবং বৈচিত্র্য আনতে হবে। শুধু আলুর ওপর নির্ভর না করে ভুট্টা, সবজি বা ধান চাষের দিকেও নজর দিতে হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর বিভাগ, পীরগঞ্জ উপজেলা, রায়পুর ইউনিয়ন, নগরমীরগঞ্জ এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান, আতাউর রহমান, জসিম উদ্দিন, মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, রায়ান আহমেদ রাজু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার কোটি টাকা (ক্ষতি), ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৬ হেক্টর (জমি), ৫১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭ টন (আলু), ২৩ শতাংশ (সংরক্ষিত আলু), ১৫-১৬ টাকা (লোকসান/কেজি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖