📌 র্যাংগস প্রপার্টিজের প্রতিষ্ঠাতা কাজী আশিক উর রহমান বলেছেন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি হলো আধুনিক আবাসন প্রকল্পের বড় চ্যালেঞ্জ। তবে তাদের ইন-হাউস ইকোসিস্টেম ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা মান অক্ষুণ্ন রেখে প্রকল্প হস্তান্তর করছে।
র্যাংগস প্রপার্টিজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান কাজী আশিক উর রহমান আধুনিক স্থাপত্যের ধারার সৃষ্টি ও বর্তমান নির্মাণ খরচের চ্যালেঞ্জের কথা বলেছেন। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সাল থেকে দেশের আবাসন খাতে নন্দনতত্ত্ব ও আধুনিক জীবনধারার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 র্যাংগস প্রপার্টিজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠাতা আবদুর রউফ চৌধুরীর দূরদর্শী চিন্তাধারায়
- 📌 প্রতিষ্ঠানের ‘ইন-হাউস ইকোসিস্টেম’-এ আর্কিটেকচারাল টিম, প্রকৌশলী ও বিক্রয়-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা দল যৌথভাবে প্রকল্প গড়ে তোলে
- 📌 নতুন প্রজন্মের ক্রেতারা চায় মিনিমালিস্টিক ডিজাইন, প্রাকৃতিক আলো-বাতাস ও বুটিক কনসেপ্টের আবাসন
- 📌 ‘দ্য মোনার্ক’ প্রকল্পে ১২টি তলা, ৭৯ নম্বর সড়কে অবস্থিত, প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টের আয়তন প্রায় ৫ হাজার বর্গফুট
- 📌 নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি হলো বর্তমান আবাসন খাতের বড় চ্যালেঞ্জ, তবে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও ইন-হাউস সাপ্লাই চেইন দক্ষতার মাধ্যমে খরচ কমাতে পারছে প্রতিষ্ঠানটি
📰 বিস্তারিত
প্রথম আলোর এক সাক্ষাৎকারে কাজী আশিক উর রহমান বলেছেন, র্যাংগস প্রপার্টিজের মূল লক্ষ্য ছিল কেবল বহুতল ভবন তৈরি করা নয়, বরং দেশের আবাসন খাতে আধুনিক জীবনধারার মানদণ্ড স্থাপন করা। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানের ‘ইন-হাউস ইকোসিস্টেম’-এ আর্কিটেকচারাল টিম ‘ইনস্পেস আর্কিটেক্টস’, প্রকৌশলী ও বিক্রয়-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা দল যৌথভাবে প্রতিটি প্রকল্পকে একটি স্বতন্ত্র শিল্পকর্মে পরিণত করছে।
কাজী আশিক উর রহমান আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের ক্রেতারা কেবল চারদেয়ালের ফ্ল্যাট চান না, বরং একটি পরিপূর্ণ লাইফস্টাইল হাব চায়। মিনিমালিস্টিক ডিজাইন, প্রাকৃতিক আলো-বাতাস, কাজ ও বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা এবং উন্নত প্রযুক্তি এখন তাদের মূল অগ্রাধিকার। প্রতিষ্ঠানটি এই চাহিদা পূরণের জন্য বুটিক কনসেপ্টের আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলছে, যেমন বারান্দা বাগান, দ্বিতলবিশিষ্ট প্রবেশপথ, বিলাসবহুল লাউঞ্জ এবং ছাদে সুইমিংপুল।
প্রকল্পের বিস্তারিত জানাতে তিনি বলেন, ‘দ্য মোনার্ক’ প্রকল্পটি গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কে অবস্থিত এবং এতে দুটি ভূগর্ভস্থ পার্কিং, গ্রাউন্ড, মেজানাইনসহ মোট ১২টি তলা রয়েছে। প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টের আয়তন প্রায় ৫ হাজার বর্গফুট। এছাড়াও, গুলশান সাউথ অ্যাভিনিউয়ে নির্মিত হচ্ছে বাণিজ্যিক প্রকল্প ‘আর কে স্কয়ার’ এবং ধানমন্ডিতে ‘একে স্কয়ার’।
"নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি হলো বর্তমান আবাসন খাতের বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা সঠিক প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও ইন-হাউস সাপ্লাই চেইন দক্ষতার মাধ্যমে খরচ কমিয়ে মান অক্ষুণ্ন রেখে প্রকল্প হস্তান্তর করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান-২, গুলশান সাউথ অ্যাভিনিউ, ধানমন্ডি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী আশিক উর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৯৬ (প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা), ৭৯ (সড়কের নম্বর), ১২ (তলা), ৫ (হাজার বর্গফুট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!