📌 র্যাংগস প্রপার্টিজ ৩ কোটি বর্গফুটের বেশি নির্মাণ করে ৩ হাজার ৭৫০টি পরিবারকে ‘আস্থা’ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নান্দনিক স্থাপত্য ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিশেষজ্ঞতা প্রদর্শন করছে। বর্তমানে ৩০টি প্রকল্পে কাজ চলছে।
র্যাংগস প্রপার্টিজ বাংলাদেশের নির্মাণ খাতে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি বর্গফুটের বেশি নির্মাণ করে ৩ হাজার ৭৫০টি পরিবার ও গ্রাহকের ‘আস্থা’ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা এই সাফল্যকে তাদের ‘সবচেয়ে বড় অর্জন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত র্যাংগস প্রপার্টিজ ৩ কোটি বর্গফুটের বেশি নির্মাণ করেছে
- 📌 ৩০০টি প্রকল্প হস্তান্তর করে ৩ হাজার ৭৫০টি পরিবারকে ‘আস্থা’ প্রদান করেছে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৫২ বর্গফুটের বেশি সবুজায়ন করেছে
- 📌 বর্তমানে ৩০টি প্রকল্পে কাজ চলছে, যার মধ্যে রয়েছে গুলশানের আর কে স্কয়ার ও বনানীর দ্য স্যাংচুয়ারি
- 📌 উত্তরার দিয়াবাড়িতে ‘টার্মিনাল ডি’ প্রকল্পে ২৩০ থেকে ৭ হাজার ২০০ বর্গফুটের স্পেস থাকবে
📰 বিস্তারিত
র্যাংগস প্রপার্টিজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে র্যানকন গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবদুর রউফ চৌধুরীর ব্যবসায়িক ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠানটি ৩০০টিরও বেশি প্রকল্প হস্তান্তর করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের লক্ষ্য শুধু ইট-পাথরের বহুতল ভবন নির্মাণ নয়, বরং নান্দনিক স্থাপত্য, আধুনিক জীবনধারা ও প্রকৃতির মেলবন্ধনে নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ-বান্ধব আবাসন গড়ে তোলা।
র্যাংগসের আন্তর্জাতিক মানের ওয়ার্কিং পার্টনার, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও অভিজ্ঞ কারিগরি দলের সহায়তায় তারা এই লক্ষ্য অর্জন করছে। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব প্রকৌশল দল নির্মাণের প্রতিটি ধাপে কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স ও কোয়ালিটি কন্ট্রোলের মানদণ্ড মেনে চলে। তারা বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী নির্মাণ করে, যা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন পায়।
প্রকল্পগুলিতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার, ধোঁয়া ও তাপ শনাক্তকারী অ্যালার্ম এবং জরুরি নির্গমন সিঁড়ি রয়েছে। হস্তান্তরের পর লিফট, জেনারেটর, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব নেয় প্রতিষ্ঠানটির প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট টিম।
প্রকৃতির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৫২ বর্গফুটের বেশি সবুজায়ন করেছে। এতে রয়েছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সৌরবিদ্যুৎ, শক্তিসাশ্রয়ী কাচের দেয়াল, রুফটপ গার্ডেন ও ভার্টিক্যাল গ্রিনারি। বর্তমানে চলমান প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে গুলশানের আর কে স্কয়ার ও বনানীর দ্য স্যাংচুয়ারি। উত্তরার দিয়াবাড়িতে প্রায় ৫০ কাঠা জমিতে বাণিজ্যিক হাব ‘টার্মিনাল ডি’ নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে ২৩০ থেকে ৭ হাজার ২০০ বর্গফুটের স্পেস, সিনেপ্লেক্স, রিটেইল প্যাভিলিয়ন ও গেমিং জোন থাকবে।
"আধুনিকতা ও প্রকৃতি প্রতিপক্ষ নয়, বরং একে অপরের পরিপূরক। এই দর্শন অনুসরণ করে আমরা প্রকল্পগুলো গড়ে তুলছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারা, বসুন্ধরা, উত্তরা, লালমাটিয়া, তেজগাঁও)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুর রউফ চৌধুরী (প্রতিষ্ঠাতা), র্যাংগস প্রপার্টিজের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি বর্গফুট নির্মাণ, ৩০০টি প্রকল্প হস্তান্তর, ৩ হাজার ৭৫০টি পরিবার, ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৫২ বর্গফুট সবুজায়ন, ৩০টি চলমান প্রকল্প
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!