📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরের আলুচাষিরা ১২ বছরে ৭ বারই লোকসান, বর্তমান মৌসুমে সংকটের চরমে

রংপুরের আলুচাষিরা ১২ বছরে ৭ বারই লোকসান, বর্তমান মৌসুমে সংকটের চরমে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের কৃষকরা গত ১২ বছরে ৭ বারই আলু চাষে লোকসান করেছেন। উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলেও দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। সরকারের সহায়তা দাবি জানিয়ে তারা দাম নিশ্চিতকরণ ও ক্ষতিপূরণের আহ্বান জানিয়েছেন

রংপুরের আলুচাষিরা গত ১২ বছরে ৭ বারই লোকসান করেছেন। উৎপাদন খরচের সাথে তুলনা করলে বর্তমান মৌসুমে আলুর দামের সংকট এতটাই গভীর যে, কৃষকরা সংরক্ষণ করা আলু বিক্রি করতে পারছেন না। উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রয় মূল্য কমে যাওয়ায় কৃষকদের আর্থিক সংকটের চরমে পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত ১২ বছরে (২০১৪-২০২৫) রংপুরের আলুচাষিরা ৭ বারই লোকসান করেছেন — ২০১৪, ২০১৫, ২০১৭, ২০১৮, ২০২১, ২০২২ ও ২০২৫ সালে
  • 📌 প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন, পরিবহন ও হিমাগার খরচ ২৪ টাকা; কিন্তু বর্তমানে হিমাগারে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১২ টাকায়
  • 📌 গত বছর রংপুরের আট উপজেলার কৃষকদের ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে — হিমাগার থেকে ৪ লাখ বস্তা আলু তোলা যায়নি
  • 📌 সরকারের দাবি: প্রতি কেজি আলুর ন্যূনতম মূল্য ২২ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকায়
  • 📌 কৃষকরা দাবি করছেন: উৎপাদন খরচের ৩৩ শতাংশ মূল্যসহায়তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান

📰 বিস্তারিত

রংপুরের কৃষকদের কাছে আলু ছিল ‘নগদ টাকার ফসল’। কিন্তু গত এক যুগে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলেও দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা লোকসানের ধাক্কায় পড়েছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১২ বছরের মধ্যে ৭ বছরই আলু চাষে লোকসান হয়েছে। কৃষকদের দাবি, সরকারের নীতিগত সহায়তা ছাড়া আলুর চাষ আর চলবে না।

বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, গত বছর রংপুরের আট উপজেলার কৃষকদের ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। হিমাগারের মালিকদেরও ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “এবারও একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে। কৃষকদের বাঁচাতে সরকারের কাছে নীতিগত সহায়তার দাবি জরুরি।”

রংপুর আলুচাষি ও ব্যবসায়ী সমিতির সহসম্পাদক মোবারক হোসেন মনছুর দাবি করেছেন, “সরকারের উচিত উৎপাদন খরচের সঙ্গে ৩৩ শতাংশ মূল্যসহায়তা দিয়ে আলুর দাম নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।”

বর্তমানে প্রতি কেজি আলু হিমাগার পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ১১ থেকে ১৩ টাকায়। খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫ টাকায়। তবে উৎপাদন খরচের সাথে তুলনা করলে প্রতি কেজি আলুর খরচ ২৪ টাকা। সে হিসাবে হিমাগারে রাখা আলুতে কৃষকের কেজিপ্রতি ১২ টাকা লোকসান হচ্ছে। সরকার হিমাগার গেটে প্রতি কেজি আলুর দাম নির্ধারণ করেছে ২২ টাকা, কিন্তু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকায়।

২০২৫–২৬ মৌসুমে রংপুর জেলার ৪২টি হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৩৮ মেট্রিক টন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খাওয়ার আলু সংরক্ষিত ছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৭ মেট্রিক টন। মোট উৎপাদন হয়েছিল প্রায় ১৯ লাখ ৫৭ হাজার টন আলু।

"সরকার আলুর কেজি ২২ টাকা নির্ধারণ করি দিয়ে এসিত বসি চুপচাপ বসি আছে। এপ্যাকে আলু কায়ও নেওচে না। আলু ধরিয়া হামরা কান্দোচি।"

— লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলুচাষি অহিদুল ইসলাম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর জেলা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তফা আজাদ চৌধুরী (সভাপতি), মোবারক হোসেন মনছুর (সহসম্পাদক), অহিদুল ইসলাম (আলুচাষি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বার লোকসান (১২ বছরে), ৬০ কোটি টাকা ক্ষতি, ২৪ টাকা উৎপাদন খরচ, ১২ টাকা বিক্রয় মূল্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖