📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সর্বজনীন সঞ্চয়পত্র: তিন মাস অন্তর মুনাফা পাওয়ার সুবিধা, কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?

সর্বজনীন সঞ্চয়পত্র: তিন মাস অন্তর মুনাফা পাওয়ার সুবিধা, কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে তিন মাস অন্তর মুনাফা পাওয়ার সুবিধা সহ সর্বজনীন সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এই সঞ্চয়পত্রে ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায় এবং মুনাফার হার ১১.৭৭% থেকে ১১.৮২% পর্যন্ত। বিনিয়োগকারীরা ৩ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করলে সর্বোচ্চ মুনাফা পাবেন

বাংলাদেশে তিন মাস অন্তর মুনাফা পাওয়ার সুবিধা সহ সর্বজনীন সঞ্চয়পত্রের ব্যবস্থা রয়েছে। এই সঞ্চয়পত্রটি প্রায় ২৮ বছর আগে চালু করা হয়েছিল এবং এখন পর্যন্ত এটি দেশের সব নাগরিকের জন্য খোলা রয়েছে। পরিবার সঞ্চয়পত্র বা পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মতো বিশেষ সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে, এই সঞ্চয়পত্রে সবাই বিনিয়োগ করতে পারেন এবং প্রতি তিন মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন করতে পারেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **সর্বজনীন সঞ্চয়পত্র**: বাংলাদেশের সব নাগরিক এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন, বিশেষ শ্রেণী বা পেশার সীমাবদ্ধতা নেই।
  • 📌 **মুনাফা উত্তোলন**: প্রতি তিন মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন করা যায়, যা পরিবার বা পেনশনার সঞ্চয়পত্রের তুলনায় সুবিধাজনক।
  • 📌 **মুনাফার হার**: সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে ১১.৮২% এবং সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে ১১.৭৭% মুনাফা পাওয়ার সুযোগ।
  • 📌 **বিনিয়োগের সীমা**: ব্যক্তি একক নামে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা এবং যুগ্ম নামে ৬০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন। প্রতিষ্ঠান ও ফার্মের ক্ষেত্রে সীমা আলাদা।
  • 📌 **মেয়াদ**: সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ তিন বছর। মেয়াদ পূরণ না করলে মুনাফার হার কমে যায়।
  • 📌 **অগ্রিম কর**: টিআইএন থাকলে মুনাফার ১০% এবং না থাকলে ১৫% অগ্রিম কর কেটে রাখা হবে। এ বছর থেকে করের টাকা আয়কর রিটার্ন জমার সময় সমন্বয় করা যাবে।

📰 বিস্তারিত

সর্বজনীন সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকরা তিন বছরের মেয়াদে বিনিয়োগ করে প্রতি তিন মাস অন্তর মুনাফা পেতে পারেন। এই সঞ্চয়পত্রের মূল্যমান ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ, এবং ১০ লাখ টাকা হতে পারে। এই সঞ্চয়পত্র কেনা যায় জেলা সঞ্চয় অফিস, জাতীয় সঞ্চয় বিশেষ ব্যুরো, বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ডাকঘর থেকে। মেয়াদ পূরণ না করলে মুনাফার হার কমে যায়, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা।

মুনাফার হার নির্ভর করে বিনিয়োগের পরিমাণের উপর। সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার ১১.৮২% এবং সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার ১১.৭৭%। মেয়াদ পূরণ না করলে এই হার কমে যায়। বিনিয়োগকারীরা মেয়াদপূর্তির আগে সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে পারেন, তবে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের পরিমাণ মূল টাকা থেকে কেটে রাখা হবে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর করের বিষয়েও নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। কর আয়কর আইন-২০২৩-এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, টিআইএন থাকলে মুনাফার ১০% এবং না থাকলে ১৫% অগ্রিম কর কেটে রাখা হবে। এ বছর থেকে এই করের টাকা আয়কর রিটার্ন জমার সময় সমন্বয় করা যাবে। কারণ, এই সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর যে উৎসে কর কেটে রাখা হতো, তা এখন চূড়ান্ত করদায়ের তালিকা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

"মুনাফার ওপর উৎসে করের টাকা এখন চূড়ান্ত করদায়ের তালিকা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ বছর থেকে করের টাকা আয়কর রিটার্ন জমার সময় সমন্বয় করা যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের জেলা সঞ্চয় অফিস, জাতীয় সঞ্চয় বিশেষ ব্যুরো, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ডাকঘর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশি নাগরিক (সর্বজনীন সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীরা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর (সঞ্চয়পত্র চালু), ১১.৮২% (মুনাফার সর্বোচ্চ হার), ৩০ লাখ টাকা (ব্যক্তির সর্বোচ্চ একক বিনিয়োগ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖