📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বস্ত্রশিল্পের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক নীতি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। বঙ্গভবনে বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন
বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক ও সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার বঙ্গভবনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রাষ্ট্রপতি** বস্ত্রশিল্পের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক ও সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান জানান
- 📌 **বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল** নেতৃত্বে ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন
- 📌 **জাতীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে বস্ত্রশিল্পের অবদান** প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
- 📌 **জ্বালানি সংকট** বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতীতে উদ্যোগ নেওয়া হয়নি
- 📌 **বর্তমান সরকার** জ্বালানি সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলে রাষ্ট্রপতি জানান
- 📌 **বস্ত্রকল সুরক্ষায়** ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার ও ব্যাংক গ্যারান্টি বিষয়ক সিদ্ধান্ত বহাল রাখার দাবি তুলে ধরেন প্রতিনিধিদল
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বস্ত্র খাতকে এগিয়ে নিতে প্রতিযোগী দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও বাস্তবভিত্তিক ও সমন্বিত নীতি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি জাতীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বস্ত্রশিল্পের অবদানের প্রশংসা করে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও বিভিন্ন কারণে, বিশেষত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে দেশের অর্থনীতিকে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় বিভিন্ন খাত পুনর্গঠনের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি সংকট সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের নিজস্ব গ্যাস ও জ্বালানি সম্পদের অনুসন্ধান ও উত্তোলন এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতীতে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান সরকার জ্বালানি সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল দেশের অর্থনীতিতে বস্ত্রশিল্পের অবদান তুলে ধরেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে বস্ত্র খাতের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি বর্তমানে এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। প্রতিনিধিদলের নেতারা দেশীয় বস্ত্রকল সুরক্ষায় ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে সুতা আমদানির সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিদ্ধান্ত বহাল রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
"দেশের বস্ত্র খাতকে এগিয়ে নিতে প্রতিযোগী দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও বাস্তবভিত্তিক ও সমন্বিত নীতি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, শওকত আজিজ রাসেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ সদস্যের প্রতিনিধিদল, ৫৫ বছর স্বাধীনতা, ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!