📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ২৫টি কারখানায় ৪৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন: পরিবেশ বাঁচাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিপ্লব

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ২৫টি কারখানায় ৪৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন: পরিবেশ বাঁচাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিপ্লব

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ২৫টি কারখানার ১১০টি স্থাপনায় ৩৫ লাখ বর্গফুট ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বর্তমানে ৪৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। গ্রুপের লক্ষ্য দুই বছরে ২৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন এবং ৬০ হাজার টন কার্বন নিঃসরণ কমাতে

বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিপ্লব ঘটাচ্ছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন কারখানার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বর্তমানে ৪৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা বছরে প্রায় ৬০ হাজার টন কার্বন নিঃসরণ এড়াতে সক্ষম হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ২৫টি কারখানার ১১০টি স্থাপনায় ৩৫ লাখ বর্গফুট ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে, যা ৪৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে
  • 📌 ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা বিদ্যুতের খরচ কমাতে এবং জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা মোকাবিলা করতে সাহায্য করছে
  • 📌 মৌলভীবাজারে ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে
  • 📌 দুই বছরের মধ্যে সারা দেশের নিজস্ব কারখানাগুলোর ছাদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ বাড়িয়ে মোট ২৫০ মেগাওয়াটের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে
  • 📌 নিট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অতিরিক্ত উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়, যা রাতের বেলায় কারখানায় ব্যবহার করা হয়

📰 বিস্তারিত

১১ অক্টোবর নাটোরের প্রাণ অ্যাগ্রো লিমিটেডে গিয়ে দেখা গেছে, কারখানার ছাদে সারি সারি সৌর প্যানেল বসানো। এই প্যানেলগুলো দিনের আলোয় উৎপাদিত বিদ্যুত দিয়েই কারখানার মেশিন ও যন্ত্রপাতি চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, এই কারখানায় নুডলস, সস, শর্ষের তেল, মসলাসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন করা হয়, যা স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয় এবং বিদেশেও রপ্তানি করা হয়।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল বলেন, গ্রুপের মোট বিদ্যুতের চাহিদার সমপরিমাণ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। ফলে কারখানা চালু রাখতে অনেক প্রতিষ্ঠানকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই কারণে তারা অনবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প হিসেবে সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছে।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সোলার প্রকল্পের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) তৌহিদুল ইসলাম জানান, বর্তমানে নাটোর, রাজশাহী ও নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি কারখানায় নিট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। তিনি বলেন, সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সাধারণত দিনের বেলায় চার থেকে ছয় ঘণ্টা উৎপাদিত হয়। চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদিত হলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় এবং রাতের বেলায় কারখানায় ব্যবহার করা হয়।

"বৈশ্বিক বাণিজ্যে পণ্যের দাম ও মানের পাশাপাশি উৎপাদনপ্রক্রিয়ার পরিবেশগত প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় বাজারে আমাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য পরিবেশ বান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নাটোর, রাজশাহী, নারায়ণগঞ্জ, মৌলভীবাজার (গোবিন্দপুর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুজ্জামান কামাল (প্রাণ-আরএফএল পরিচালক), তৌহিদুল ইসলাম (সোলার প্রকল্পের সহকারী মহাব্যবস্থাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ মেগাওয়াট (বর্তমান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন), ১০০ মেগাওয়াট (মৌলভীবাজার প্রকল্প), ২৫০ মেগাওয়াট (দুই বছরের লক্ষ্য), ৬০ হাজার টন (বছরে কার্বন নিঃসরণ কমানো), ২৫টি কারখানা, ১১০টি স্থাপনা, ৩৫ লাখ বর্গফুট ছাদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖