📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দারিদ্র্যের হার বেড়েছে ২২ শতাংশে: চার বছরে ৮০ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়েছে

দারিদ্র্যের হার বেড়েছে ২২ শতাংশে: চার বছরে ৮০ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়েছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত চার বছরে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে ২২ শতাংশে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে ৮০ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়েছে। এছাড়াও, ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে দারিদ্র্যের সীমার নিচে নেমে যাওয়ার

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার চার বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত চার বছরে দেশে ৮০ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্রের তালিকায় নাম লেখেছে। মূলত উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে প্রকৃত আয় কমে যাওয়ায়, কর্মসংস্থানের অভাব এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে এই দারিদ্র্য বৃদ্ধি ঘটেছে। এদিকে, দারিদ্র্যসীমার কিছুটা উপরে বসবাসকারী প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি বা অর্থনৈতিক ধাক্কা পড়লে তারা দ্রুত দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত চার বছরে বাংলাদেশে ৮০ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে
  • 📌 ২০২২ সাল থেকে দারিদ্র্য হার বেড়েছে ২২ শতাংশে (২০২২ সালে ছিল ১৮.৭ শতাংশ)
  • 📌 ২০২৫ সালে দারিদ্র্য হার পৌঁছেছে ২১ শতাংশের উপরে
  • 📌 ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে দারিদ্র্যের সীমার নিচে নেমে যাওয়ার
  • 📌 বিশ্বব্যাংক অনুমান করেছে, চলতি অর্থবছর শেষে দারিদ্র্য হার আরও বেড়ে ২২.৯ শতাংশ হতে পারে
  • 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৬ লাখ ৩০ হাজার নিট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা দারিদ্র্য কমানোর জন্য যথেষ্ট নয়

📰 বিস্তারিত

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্য হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। পরের বছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ দশমিক ৯ শতাংশে, যখন নতুন করে ৮ লাখ মানুষ দরিদ্রের তালিকায় নাম লেখে। ২০২৪ সালে দারিদ্র্য হার সাড়ে ২০ শতাংশে পৌঁছায়, এবং ওই বছর ৩৭ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়। ২০২৫ সালে দারিদ্র্য হার আরও বেড়ে ২১ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়, যখন ১৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্রের তালিকায় নাম লেখে। এই বছর ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে, এবং দারিদ্র্য হার সাড়ে ২২ শতাংশে পৌঁছেছে।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, চলতি অর্থবছর শেষে দারিদ্র্য হার আরও বেড়ে ২২ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে। এছাড়াও, আগামী অর্থবছরে প্রায় ৬ লাখ ৩০ হাজার নিট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে, তবে এই কর্মসংস্থান দারিদ্র্য কমানোর জন্য যথেষ্ট হবে না।

বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) এর নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের দামের চাপ, প্রকৃত মজুরির ক্ষয়, দুর্বল বেসরকারি বিনিয়োগ এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না হওয়ায় নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ছে। তিনি আরও বলেছেন, অধিকাংশ কর্মসংস্থান অনানুষ্ঠানিক হওয়ায় চাকরি হারানো, অসুস্থতা বা মূল্যবৃদ্ধির মতো একটি ধাক্কাই অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

২০০১ সালে বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করতেন। তখন দারিদ্র্যের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ। পরের দুই দশকে দারিদ্র্য বিমোচনে বেশ সফল ছিল বাংলাদেশ। ২০২২ সালে দারিদ্র্য হার ১৮ শতাংশে নেমে আসে। কিন্তু গত দুই বছরে এই ধারা পাল্টে যায় এবং দারিদ্র্য হার বাড়তে থাকে।

"বাংলাদেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতির একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে বিশ্বব্যাংক। উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের দামের চাপ, প্রকৃত মজুরির ক্ষয়, দুর্বল বেসরকারি বিনিয়োগ এবং পর্যাপ্ত উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান না হওয়ায় নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ছে।" — সেলিম রায়হান, সানেমের নির্বাহী পরিচালক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেলিম রায়হান (সানেমের নির্বাহী পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ লাখ (নতুন দরিদ্র), ৬ কোটি ২০ লাখ (ঝুঁকির মধ্যে), ২২.৯ শতাংশ (অনুমানিত দারিদ্র্য হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖