📌 দিনাজপুরের পোলট্রি খামারি মোমিনুল ইসলামের মতো দেশব্যাপী খামারিরা ফিডের দাম বাড়ার কারণে উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছেন। ভুট্টা, সয়াবিন মিল, ডিওআরবি ও রাইস ব্র্যানের দামে ১৩-৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলে ফিডের খরচে ৩০০০ টাকারও বেশি বেড়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও আমদানিতে কর কমানোর দাবি তুলেছেন
দেশের পোলট্রি খামারিরা ফিডের দাম বাড়ার কারণে উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছেন। দিনাজপুর সদর উপজেলার পোলট্রি খামারি মোমিনুল ইসলামের মতো দেশব্যাপী খামারিরা উৎপাদন খরচে চাপ পাচ্ছেন। প্রতি মাসে ৭০ বস্তা ব্রয়লার মুরগির খাবার কিনতেন তিনি, কিন্তু দাম বাড়ার কারণে এখন ৬০ বস্তা দিতে পারছেন না। ফলে মুরগির ওজন কমে বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিনাজপুরের খামারি মোমিনুল ইসলাম ৭০ বস্তা ফিড কমিয়ে ৬০ বস্তা দিচ্ছেন, ফলে মুরগির ওজন কমে বাজারে দাম কম পাচ্ছেন
- 📌 ভুট্টার দাম ৩১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা, ডিওআরবির দাম ২৬ টাকা থেকে ৩৩ টাকা, সয়াবিন মিলের দাম ৫৮ টাকা থেকে ৬৬ টাকা
- 📌 ৫০ কেজি ফিডের দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬৭৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, ব্র্যানের দাম ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা
- 📌 খাতসংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও আমদানিতে কর কমানোর দরকার
📰 বিস্তারিত
দিনাজপুর সদর উপজেলার পোলট্রি খামারি মোমিনুল ইসলামের মতো দেশের বিভিন্ন এলাকার খামারিরা ফিডের দাম বাড়ার কারণে উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছেন। ফিডের দাম বাড়ার পাশাপাশি ওষুধ, টিকাসহ অন্যান্য উৎপাদন উপকরণের দামও বেড়েছে। এতে লোকসান গুনতে গুনতে অনেক খামারি উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছেন।
ফিড তৈরির প্রধান উপাদানগুলোর দাম এক মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ভুট্টার দাম ১৩ শতাংশ বেড়ে কেজিপ্রতি ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা হয়েছে। ডিওআরবির দাম ২৬ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩ টাকা, ১৬ শতাংশ তেলযুক্ত চালের কুঁড়ার দাম ৩৩ টাকা থেকে ৩৯ টাকা, সরিষার খৈলের দাম ৩৬ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৩৯ টাকা ৭০ পয়সা এবং সয়াবিন মিলের দাম ৫৮ টাকা থেকে ৬৬ টাকা হয়েছে।
বগুড়া সদরের খামারি হাফিজুর রহমান বলেছেন, গত এক সপ্তাহে ফিডের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। ৫০ কেজির এক বস্তা ফিডের দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬৭৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্র্যানের দাম ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা হয়েছে। ভুট্টার দাম কেজিতে ২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩৭ টাকা হয়েছে।
"ফিডের দাম বাড়ায় সব ধরনের ফিডের দাম বেড়েছে। ফলে বেশি দামে ফিড কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। দাম বাড়ায় ক্রেতাও কমে গেছে।"
বাংলাদেশ প্রান্তিক পোলট্রি খামারি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাসেল প্রধান বলেছেন, ফিডের কাঁচামালের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি মোকাবিলায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ডিওআরবি ও রাইস ব্র্যানের সরবরাহ আগে দেশের চাহিদা অনুযায়ী নিশ্চিত করা দরকার। প্রয়োজনে এসব পণ্যের রপ্তানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা বা কঠোর নিয়ন্ত্রণ দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি আমদানি করা কাঁচামালের ওপর ভ্যাট, কর ও শুল্ক কমানো এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিনাজপুর, বগুড়া, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোমিনুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, রাসেল প্রধান, সলিম উল্যাহ, ড. মো. শফিকুর রহমান শিশির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বস্তা (ফিড), ৬০ বস্তা (ফিড), ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা (ভুট্টার দাম), ৩ হাজার ৬৭৫ টাকা (ফিডের দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!