📌 সম্ভব টেকনোলজিস লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা হাসিবুর রহমান বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও নিয়োগদাতাদের সংযোগ বাড়াতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব চাকরির দক্ষতা অর্জন করতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত, যার মধ্যে ১০ হাজার নারী
সম্ভব টেকনোলজিস লিমিটেডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করা জরুরি। তিনি ‘লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ: সিজন–৩’ পডকাস্ট শোতে এই কথা বলেন, যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ রিদওয়ানুল হক সঞ্চালনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সম্ভব টেকনোলজিসের মাধ্যমে ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সাথে সংযোগ রয়েছে, যার মধ্যে ১০ হাজার নারী
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা ও বাস্তব চাকরির দক্ষতা এক নয় — শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে
- 📌 গ্র্যাজুয়েটদের বেকারত্বের সমাধানে দক্ষতা ও নিয়োগদাতার চাহিদার মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা প্রয়োজন
- 📌 নারীদের কর্মসংস্থানে অংশগ্রহণ বাড়াতে নির্ভরযোগ্য চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 চাকরিপ্রার্থীদের জন্য প্ল্যাটফর্মে প্রকৃত ও যাচাইকৃত চাকরির তথ্য প্রদান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
📰 বিস্তারিত
প্রথম আলো ডটকম ও প্রাইম ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে প্রচারিত ‘লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ: সিজন–৩’ পডকাস্টে হাসিবুর রহমান বলেন, সম্ভব টেকনোলজিসের কার্যক্রমের সঙ্গে মোট ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সম্পর্ক রয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার নারী কর্মী রয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি চাকরি, ট্রেনিং ও স্কিল ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে ম্যাচমেকিং প্রক্রিয়া চালু করেছে।
হাসিবুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা এবং বাস্তব চাকরির বাজারে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা। তাই শিক্ষার্থীদের বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা জরুরি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে বলেন, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময় থেকেই বুঝতে পারেন, চাকরির বাজারে কী ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে।
গ্র্যাজুয়েটদের বেকারত্বের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করলেই হবে না। একজন চাকরিপ্রার্থীর কী ধরনের দক্ষতা রয়েছে এবং নিয়োগদাতা কী ধরনের দক্ষতা খুঁজছেন, তা বুঝতে হবে। এই দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি চাকরিপ্রার্থীদের যথাযথভাবে প্রস্তুত করার পাশাপাশি নিয়োগদাতাদের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ তৈরি করতে। কারণ, শেষ পর্যন্ত একজন প্রার্থীকে সঠিক চাকরির জন্য উপযুক্ত করে তোলাই গুরুত্বপূর্ণ।’
নারীদের কর্মসংস্থানে অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সম্ভব টেকনোলজিস বিশেষ করে নারীদের জন্য যাচাইকৃত চাকরির সুযোগ তৈরি করতে চায়। তিনি বলেন, শুধু চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশ করাই নয়, চাকরির সুযোগটি কতটা নির্ভরযোগ্য এবং চাকরিপ্রার্থীর জন্য কতটা উপযুক্ত, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
"আমাদের কাছে প্রকৃত ও যাচাইকৃত চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই, চাকরিপ্রার্থীরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন, যেখানে তাঁরা নির্ভরযোগ্য চাকরির তথ্য পাবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসিবুর রহমান (সম্ভব টেকনোলজিসের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ হাজার (কর্মসংস্থানের সাথে সংযুক্ত ব্যক্তি), ১০ হাজার (নারী কর্মী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!