📌 কারওয়ান বাজারের ট্রাফিক মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা সহকারী উপপরিদর্শক আলি আজগর মিয়া ‘ব্রাইব-টু-কনজ্যুমার’ ব্যবসা মডেলে ইউনিফর্মকে ক্যাপিটাল অ্যাসেট হিসেবে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি ঘুষের টাকা দিয়ে কেনা ইউনিফর্মের মাধ্যমে মাসে ৩ লাখ টাকার নিট ক্যাশফ্লো অর্জন করছেন
কারওয়ান বাজারের ট্রাফিক মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা সহকারী উপপরিদর্শক আলি আজগর মিয়া একদিনের ব্যবসা মডেলের মাধ্যমে ইউনিফর্মকে ক্যাপিটাল অ্যাসেটে রূপান্তরিত করেছেন। ‘উদ্যোক্তার খোলামেলা কথা’ শোতে তিনি প্রকাশ করেছেন যে, ঘুষের টাকা দিয়ে কেনা ইউনিফর্মের মাধ্যমে তিনি মাসে ৩ লাখ টাকার নিট ক্যাশফ্লো অর্জন করছেন। এই ‘ব্রাইব-টু-কনজ্যুমার’ ব্যবসা মডেলের পেছনে রয়েছে একটি স্মার্ট ডিজিটাল সিস্টেম যা ট্রাফিক মোড়ের পুলিশদের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা খুলে দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সহকারী উপপরিদর্শক আলি আজগর মিয়া ইউনিফর্মকে ক্যাপিটাল অ্যাসেট হিসেবে ব্যবহার করে মাসে ৩ লাখ টাকার নিট ক্যাশফ্লো অর্জন করছেন।
- 📌 তিনি ঘুষের টাকা দিয়ে কেনা ইউনিফর্মের মাধ্যমে ‘ব্রাইব-টু-কনজ্যুমার’ ব্যবসা মডেল চালাচ্ছেন, যেখানে ইউনিফর্মের বুক ও পকেটে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম যুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 ইউনিফর্মে ‘জিপার ক্যাশ হোল্ডার’, ‘কিউআর কোড সিস্টেম’ এবং ‘আফটার-সেলস সার্ভিস’ তিনটি ফিচার রয়েছে যা পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে সহজতর করেছে।
- 📌 আলি আজগর মিয়া দাবি করেছেন, শেয়ারবাজার বা ডলারের মতো অর্থনৈতিক ঝুঁকি ছাড়াই ইউনিফর্মের ডিমান্ড কখনো কমবে না।
- 📌 তিনি ঘোষণা করেছেন, ‘কিউআর কোড স্ক্যান করে ৫০০ টাকা জমা দেওয়া যায়’ এবং ‘টাকা পেলেই পরবর্তী জ্যামে আবার দেখা হবে’।
📰 বিস্তারিত
কারওয়ান বাজারের ট্রাফিক মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা সহকারী উপপরিদর্শক আলি আজগর মিয়া ‘উদ্যোক্তার খোলামেলা কথা’ শোতে নিজের ব্যবসা মডেলের কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, বিশ্বের বড় বড় ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টরা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ব্যর্থ হলেও তিনি ‘খাঁটি দেশীয়’ মডেলে সফলতা পেয়েছেন। তার মডেলের মূল ভিত্তি হলো ‘ব্রাইব-টু-কনজ্যুমার’—যেখানে ইউনিফর্মের মাধ্যমে ঘুষের টাকা ইনভেস্ট করে ব্যবসা করা হয়।
আলি আজগর মিয়া জানান, তিনি ২ লাখ টাকা দিয়ে ইউনিফর্ম কেনেছেন এবং মাসে ৩ লাখ টাকার নিট ক্যাশফ্লো অর্জন করছেন। তিনি বলেন, ‘একটা সিএনজি বা ট্যাক্সি কিনে ভাড়ায় খাটালে ব্যবসা হয়, তাহলে ইউনিফর্মের মাধ্যমে ব্যবসা হবে না কেন?’ তিনি দাবি করেন, ইউনিফর্মের ডিমান্ড কখনো কমবে না কারণ এটি ট্রাফিক মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশদের জন্য একটি সিকিউরড ইনভেস্টমেন্ট।
আলি আজগর মিয়া ইউনিফর্মে তিনটি স্মার্ট ফিচার যুক্ত করেছেন। প্রথমত, ‘জিপার ক্যাশ হোল্ডার’ পকেটে, যেখানে ক্লায়েন্টরা ক্যাশ ছাড়াই চালান করতে পারে। দ্বিতীয়ত, ইউনিফর্মের বুকেই কিউআর কোড সিস্টেম রয়েছে, যাতে বিকাশ, নগদ বা রকেট থেকে ডিরেক্ট পেমেন্ট করা যায়। তৃতীয়ত, ‘আফটার-সেলস সার্ভিস’ হিসেবে তিনি বলেন, ‘টাকা পেলেই আমরা বলি, “ধন্যবাদ, পরবর্তী জ্যামে আবার দেখা হবে!”’
শোতে আলি আজগর মিয়া একটি বাইকারের সাথে কিউআর কোড স্ক্যানের ডেমো দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘৫০০ টাকা জমা দেওয়া যায় এবং ফোনে টুং করে উঠবে’। এই ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে তিনি পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করেছেন।
"আমজনতার চিন্তাভাবনা ওই শার্ট-প্যান্টের সুতা পর্যন্তই আটকে থাকে ভাই, তাই তারা সাধারণ প্রজা!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী উপপরিদর্শক আলি আজগর মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ টাকা ইনভেস্টমেন্ট, মাসে ৩ লাখ টাকা নিট ক্যাশফ্লো, ৫০০ টাকা পেমেন্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!