📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউ ইয়র্ক সফরে ওয়াল স্ট্রিটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিবেশ বিনিয়োগবান্ধব এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তিনি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আশ্বাস দিয়েছেন যে, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজীকরণ, কর প্রশাসনের উন্নয়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে সরকার কাজ করছে
নিউ ইয়র্ক সফরে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার—বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিনিয়োগের জন্য আস্থা, পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির উপযোগী পরিবেশ প্রয়োজন। সেখান থেকে আমি একটি সহজ শিক্ষা পেয়েছি—এই সবই নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নিতে** নিউ ইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান **জেপি মর্গানের সদর দপ্তরে** ওয়াল স্ট্রিটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’
- 📌 **১৮ কোটি মানুষের** দেশ বাংলাদেশে রয়েছে **তরুণ ও কর্মঠ জনগোষ্ঠী**, **ক্রমবর্ধমান বাজার** এবং **কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান**—এই সবই বিনিয়োগের জন্য সুবিধাজনক
- 📌 **২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি** গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার **বিনিয়োগকারীদের জন্য নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজীকরণ**, **বিনিয়োগ সুরক্ষা জোরদার**, **কর প্রশাসন উন্নয়ন** এবং **মুনাফা সহজে দেশে ফেরত নেওয়ার ব্যবস্থা** নিচ্ছে
- 📌 **যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও চীন**সহ বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক **গভীরতর** করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
- 📌 **বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড ইস্যুতে জেপি মর্গানের ভূমিকা** আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি **নতুন রেফারেন্স পয়েন্ট** হয়ে উঠেছে
- 📌 **বিনিয়োগকারীরা মূল্যায়ন করেন**—**বিধিবিধান কতটা পূর্বানুমেয়**, **বিনিয়োগ কতটা সুরক্ষিত**, **মূলধন কতটা দক্ষতার সঙ্গে স্থানান্তরিত হয়** এবং **মুনাফা কতটা সহজে দেশে ফেরত আসে**
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউ ইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনের জেপি মর্গানের সদর দপ্তরে (২৭০ পার্ক অ্যাভিনিউ, ওয়াল স্ট্রিট) শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন বাংলাদেশি এবং রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি। ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা তাদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেন, আর আমি কাজ করছি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায়। দায়িত্ব ভিন্ন হলেও উভয়ের মূলনীতি একই—সাফল্য নিশ্চিত করা।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব বাংলাদেশকে বড় উৎপাদন ও তৈরি পোশাকের কেন্দ্র হিসেবে চেনে। তবে আজকের বাংলাদেশ এর চেয়েও অনেক বেশি সম্ভাবনা ধারণ করে। জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, উৎপাদন, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত উৎপাদন, বিনিয়োগ ও সেবা খাতের একটি কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।’
‘বিনিয়োগকারীরা শেষ পর্যন্ত কোনো বক্তব্যের পর কী ঘটে, তার ভিত্তিতে একটি দেশকে মূল্যায়ন করেন,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিধিবিধান কতটা পূর্বানুমেয়, বিনিয়োগ কতটা সুরক্ষিত, মূলধন কতটা দক্ষতার সঙ্গে স্থানান্তর করা যায় এবং মুনাফা কতটা সহজে দেশে ফেরত নেওয়া যায়—এসবই তাদের যৌক্তিক প্রশ্ন। নীতির মাধ্যমে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে তার কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থা তৈরি করাই সরকারের দায়িত্ব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় সরকার। একই সঙ্গে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্বের উদ্যোগ এবং চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।’ তিনি বলেন, ‘বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আরও ঘনিষ্ঠ সংযোগ স্থাপনে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।’
"বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত। আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার—আমরা বিনিয়োগের জন্য আস্থা, পূর্বানুমেয়তা এবং প্রবৃদ্ধির উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক (জেপি মর্গানের সদর দপ্তর, ২৭০ পার্ক অ্যাভিনিউ, ওয়াল স্ট্রিট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম (জাতিসংঘ অধিবেশন), ২৭০ (পার্ক অ্যাভিনিউ), ১৮ কোটি (বাংলাদেশের জনসংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!