📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী মাটির পাত্র ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন: তিন প্রজন্মের ধারাবাহিকতা বাঁচিয়ে রেখেছেন মেলামাইনের চাহিদা পূরণে

পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী মাটির পাত্র ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন: তিন প্রজন্মের ধারাবাহিকতা বাঁচিয়ে রেখেছেন মেলামাইনের চাহিদা পূরণে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পটিয়ার হাটের পাশে অবস্থিত মাটির পাত্রের দোকানটি তিন প্রজন্মের ব্যবসার গল্প বয়ে নিয়ে আসছে। দাদা আবদুল হাকিমের হাতে শুরু হওয়া এই ব্যবসা বর্তমানে নাসির উদ্দিনের হাতে চলে আসছে, যিনি গ্রামের কারিগরদের কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন। মেলামাইনের চাহিদা পূরণে দোকানটি মাসে ৬০-৭০ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি করে

পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী মাটির পাত্র ব্যবসায়ী মো. নাসির উদ্দিনের দোকানটি তিন প্রজন্মের ব্যবসার সাক্ষী। দাদা আবদুল হাকিমের হাতে শুরু হওয়া এই ব্যবসা বর্তমানে নাসিরের হাতে চলে আসছে, যিনি গ্রামের কারিগরদের কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। দোকানটি পটিয়ার থানার হাটের পাশে অবস্থিত, যেখানে সারিবদ্ধভাবে মাটির হাঁড়ি, পাতিল, ঢাকনা ও মটকা সাজানো থাকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **মো. নাসির উদ্দিন** বর্তমানে পরিবারের তিন প্রজন্মের ব্যবসার দায়িত্বে আছেন, যা শুরু করেছিলেন তাঁর দাদা **আবদুল হাকিম**।
  • 📌 দোকানটি **পটিয়ার কেলিশহরের ফোরকানিয়া পাড়ায়** (পুরাতন নাম **কুমারপাড়া**) অবস্থিত, যেখানে **৮ অক্টোবর** প্রতিবেদকদের দেখা হয়েছিল।
  • 📌 মাসে **৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা** মূল্যের পণ্য বিক্রি হয়, যেখানে খরচ বাদে লাভ হয়।
  • 📌 গ্রামের কারিগরদের মধ্যে **নোয়া মিয়া** (৭০ বছর) ও **পাখিজা বেগম** (৪০ বছর ধরে কাজ করছেন) উল্লেখযোগ্য, যারা মাসে **১০ থেকে ২০ হাজার টাকা** আয় করেন।
  • 📌 **১৯৯৩ সালে** আবদুল হাকিমের মৃত্যুর পর ব্যবসা চালিয়ে যান নাসিরের বাবা **সগির আহমদ**, যিনি **২০১৪ সালে** মৃত্যুবরণ করেন।

📰 বিস্তারিত

নাসির উদ্দিনের দোকানটি পটিয়ার থানার হাটের পাশে অবস্থিত। দাদা আবদুল হাকিমের সময়ে এই ব্যবসা শুরু হয়েছিল। তিনি নিজেই মাটির হাঁড়ি ও পাতিল তৈরি করতেন এবং দূরদূরান্ত থেকে ক্রেতারা তাঁর তৈরি পণ্য কিনতেন। সময়ের সাথে সাথে হাটের ঠিকানা পরিবর্তিত হয়েছে, এবং বর্তমানে দোকানটি নতুন হাটের পাশে অবস্থিত। নাসিরের বাবা সগির আহমদ ১৯৯৩ সালে দাদার মৃত্যুর পর ব্যবসা চালিয়ে যান। ২০১৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর নাসির ব্যবসার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নাসিরের দোকানে সাজানো মাটির পাত্রের মধ্যে কিছুই গ্রামেই তৈরি হয়। প্রতিবেদকদের দেখা হয়েছিল গ্রামের কারিগরদের মধ্যে **নোয়া মিয়া** (৭০ বছর বয়সী) এবং তাঁর স্ত্রী **নেসা বেগম**। নোয়া মিয়া কানে শুনতে পারেন না, কিন্তু নেসা বেগম বলেন, মেলামাইনের চাহিদা পূরণে তাঁদের কাজ কমেছে। আগে মাটির পাত্র তৈরি করতে পারতেন না, কিন্তু এখন মাসে প্রায় **২০ হাজার টাকার অর্ডার** পান। খরচ বাদে তাঁদের হাতে থাকে **পাঁচ-ছয় হাজার টাকা**।

গ্রামের ভেতর হাঁটতে গিয়ে দেখা গেল **পাখিজা বেগম**ের সঙ্গে, যিনি চার দশক ধরে মাটির পণ্য তৈরি করছেন। তাঁর মাসে গড়ে আয় হয় **১০ হাজার টাকা**। তাঁর তৈরি পণ্যও পটিয়ার হাটে বিক্রি হয়। পাখিজা বলেন, আগে গ্রামে শতাধিক ঘরে মাটির তৈজসপত্র তৈরি হতো, কিন্তু এখন হাতে গোনা কয়েকজন কারিগরই এই কাজ করেন। নাসিরের দোকানে বিক্রি হওয়া পণ্যগুলো এই কারিগরদের তৈরি।

"আগে গ্রামে শতাধিক ঘরে মাটির তৈজসপত্র তৈরি হতো। এখন হাতে গোনা কয়েকজন কারিগরই এই কাজ করেন।"

নাসিরের দোকানে সাজানো মাটির পাত্রগুলো দেখে মনে হয়, পরিবারের ব্যবসাটি বদলেছে দুইভাবে—হাটের ঠিকানা বদলেছে এবং নিজে তৈরির কাজ থেকে নাসির এসেছেন কারিগরের কাছ থেকে পণ্য কেনাবেচায়। দাদা আবদুল হাকিমের শুরু করা ব্যবসা এখন চলছে তাঁর হাতেই।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পটিয়ার থানার হাটের পাশে, কেলিশহরের ফোরকানিয়া পাড়া (পুরাতন নাম: কুমারপাড়া)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাসির উদ্দিন, নোয়া মিয়া, পাখিজা বেগম, আবদুল হাকিম, সগির আহমদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাসে ৬০-৭০ হাজার টাকা পণ্য বিক্রি, ২০ হাজার টাকা অর্ডার, ১০ হাজার টাকা মাসিক আয়, ৮ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖