📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পান রপ্তানির দ্বন্দ্ব শেষে এক হাজার কোটি টাকার সম্ভাবনা: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বৈশ্বিক বাজারে নতুন জোয়ার

পান রপ্তানির দ্বন্দ্ব শেষে এক হাজার কোটি টাকার সম্ভাবনা: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বৈশ্বিক বাজারে নতুন জোয়ার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দীর্ঘ দুই যুগের দ্বন্দ্বের অবসানে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বাংলাদেশের পান রপ্তানিতে নতুন জোয়ার এসেছে। রপ্তানিকারকরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে এক হাজার কোটি টাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কিছু ব্যবসায়ী ও সংগঠনের বিরোধের পেছনে অর্থ পাচার ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে

দীর্ঘ দুই যুগের দ্বন্দ্বের অবসানে বাংলাদেশের পান রপ্তানিতে নতুন জোয়ার এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের পর থেকে রপ্তানি আয় ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। রপ্তানিকারকদের দাবি, বৈশ্বিক বাজারে এক হাজার কোটি টাকার পান ও পানজাত পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দ্বন্দ্বমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুপ্রিম কোর্টের ২০২৩ সালের রায়ে পান ও সবজি রপ্তানিকারক সংগঠন দুটিকে আলাদা সত্তা ঘোষণা করা হয়েছে
  • 📌 ২০০২ সালে মাত্র ৪ কোটি টাকা রপ্তানি থেকে ২০০৩ সালে ২০০ কোটি টাকায় উঠে পান রপ্তানির আয়
  • 📌 আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি পানের মূল্য ৫ থেকে ৬ ডলার হলেও কিছু ব্যবসায়ী ১.২০ ডলারে রপ্তানি করতেন
  • 📌 বাংলাদেশের পান রপ্তানি বন্ধের অভিযোগে স্বপন সরকারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে
  • 📌 পান রপ্তানিকারক সমিতির দাবি, পানের পৃথক এইচএস কোড রয়েছে, কিন্তু সবজি সমিতি তা অস্বীকার করে

📰 বিস্তারিত

পান কি সবজি জাতীয় ফসল নাকি পৃথক ভেষজ পণ্য—এই নিয়ে দীর্ঘ দুই যুগের দ্বন্দ্বের অবসানে অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। শীর্ষ আদালতের রায়ে ফয়সালা হওয়ার পর থেকে বছর বছর বাড়ছে রপ্তানি। রপ্তানিকারকেরা বলছেন, এখন যাবতীয় দ্বন্দ্ব এড়িয়ে সঠিকভাবে এগোতে পারলে বৈশ্বিক বাজারে এক হাজার কোটি টাকার পান ও পানজাত পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে।

দুটি সংগঠনের মধ্যে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়েছিল ২০০৩ সাল থেকে। এক পক্ষের দাবি ছিল, সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের জন্য পানকে ‘সবজি’ পরিচয়ে রপ্তানিতে আগ্রহী একটি পক্ষ। অন্যদিকে ‘সবজি’ তত্ত্বের পক্ষের সংগঠনের দাবি, পানের ভিন্ন পরিচয় তুলে ধরে সুবিধা বাগিয়ে নিতে সক্রিয় হয়েছে একটি ‘সিন্ডিকেট’। এই দ্বন্দ্বের সূত্রে দুই পক্ষের মধ্যে এক ডজনের বেশি মামলা পর্যন্ত হয়েছিল।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের শ্রেণিবিন্যাসে পানকে উদ্যানতাত্ত্বিক ফসলের তালিকায় রাখা হয়েছে। তবে ব্যবহারিক দিক থেকে পানকে মসলাজাতীয় ফসল বা অর্থকরী চিবানোর উপযোগী পাতা হিসেবে গণ্য করা হয়। রপ্তানি-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ শতকের আশির দশক থেকে বাংলাদেশের পান বিদেশে রপ্তানি করা শুরু হয়। তবে তখন এটি ফল ও সবজি রপ্তানিকারক সমিতির আওতায় রপ্তানি হতো সবজির উপজাত পণ্য হিসেবে।

২০০৩ সালে ‘পান রপ্তানিকারক সমিতি’র সক্রিয়তা শুরু হয়। সে বছর পান পাতাকে সবজি না বরং ‘পান’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েই রপ্তানি করা হয়েছিল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পণ্যটি রপ্তানির জন্য পান রপ্তানিকারক সমিতির সদস্যপদ ও প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করে। তবে এই পদক্ষেপের পেছনে কিছু ব্যবসায়ী ও সংগঠনের বিরোধের অভিযোগ উঠেছে।

"বিশ্বের বিভিন্ন বাঙালি তথা দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত দেশে পানের ভালো চাহিদা রয়েছে। সেখানে এটি তুলনামূলকভাবে বেশি দামে বিক্রি হয়।"

রপ্তানিকারক সমিতির দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি পানের মূল্য ৫ থেকে সাড়ে ৬ ডলার হলেও একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কাস্টমসে ১.২০ ডলারের সবজি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রপ্তানি করতেন। এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের পাশাপাশি ফাঁকি দেওয়া হয় মোটা অঙ্কের সরকারি রাজস্ব। পান রপ্তানিকারক সমিতির অভিযোগ, বর্তমানে বাংলাদেশের পান রপ্তানি বন্ধ করে পার্শ্ববর্তী দেশের বাজার উন্মুক্ত করার তৎপরতা চলছে। তাদের দাবি, এই তৎপরতার নেপথ্যে রয়েছেন জনৈক স্বপন সরকার। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে।

স্বপন সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, কলকাতায় অবস্থানরত তাঁর ভাই তপন সরকার পান রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত, এ কথা সত্যি। তবে এর সঙ্গে বাংলাদেশের পান রপ্তানির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি দাবি করেন, পান সমিতির প্রত্যয়নপত্র কাস্টমসের কোনো কাজে লাগে না। এটি মূলত প্রতি বাক্সে ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকা ‘চাঁদা আদায়ের বাহানা’। সবজির আড়ালে কম দাম দেখিয়ে পান রপ্তানি করে অর্থ পাচার বা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগকে তিনি কাল্পনিক বলে উড়িয়ে দেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, কলকাতা, আন্তর্জাতিক বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বপন সরকার, জামাল উদ্দিন সিকদার (পান রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক), তপন সরকার (কলকাতা পান রপ্তানিকারক সমিতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ কোটি টাকা (২০০৩ সালে রপ্তানি আয়), ৫-৬ ডলার (পের কেজি পানের মূল্য), ১.২০ ডলার (অসাধু ব্যবসায়ীদের রপ্তানি মূল্য), ৫০০-৭৫০ টাকা (প্রতি বাক্সে চাঁদা), ২৪ বছর (দ্বন্দ্বের দৈর্ঘ্য), ১০টি (মামলার সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖