📌 'পামপে' বাংলাদেশে কিস্তিতে স্মার্টফোন বিক্রির মাধ্যমে গ্রাহকদের ঋণের ফাঁদে ফেলছে। ঋণের সুদ ও লকিং পলিসির কারণে অনেকের জন্য ফোন দৈনন্দিন জীবনের জরুরি উপকরণ থেকে ঋণের বোঝায় পরিণত হয়েছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে ১৯৪ কোটি টাকার বেশি ঋণ প্রদান করে ৯৬ হাজার গ্রাহককে স্মার্টফোন দেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশে স্মার্টফোনের কিস্তি ক্রয় ব্যবস্থা গ্রাহকদের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। বহুজাতিক ফিনটেক প্রতিষ্ঠান 'পামপে' স্মার্টফোন কেনার জন্য ঋণ প্রদান করলেও সুদ ও লকিং পলিসির কারণে অনেকের জন্য ফোন দৈনন্দিন জীবনের জরুরি উপকরণ থেকে ঋণের বোঝায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত এই পাইলট প্রকল্পের অধীনে গ্রাহকদের ঋণে ফেলে দেওয়া হচ্ছে টেকনো, ইনফিনিক্স ও আইটেল ব্র্যান্ডের ফোন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 'পামপে' বাংলাদেশে ২০২৪ সাল থেকে কিস্তিতে স্মার্টফোন বিক্রি শুরু করেছে। শুরুতে কম টাকা দিয়ে ফোন কেনার সুযোগ হলেও বাকি অর্থ কিস্তিতে সুদসহ পরিশোধ করতে হয়।
- 📌 কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ফোন লক করে দেয়া হয়। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ফোন দৈনন্দিন যোগাযোগের মাধ্যম থেকে ঋণের বোঝায় পরিণত হয়েছে।
- 📌 ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে 'পামপে' ১৯৪ কোটি টাকার বেশি ঋণ প্রদান করে ৯৬ হাজার গ্রাহককে স্মার্টফোন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ হাজার গ্রামীণ ও ৫২ হাজার শহরাঞ্চলের বাসিন্দা।
- 📌 ৬৪ হাজার গ্রাহক ১৫ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল্যের ফোন কেনার জন্য ঋণ নিয়েছেন। ঋণের সুদ ও কিস্তি পরিশোধের শর্তের কারণে ফোনের প্রকৃত মূল্য ৫-৭ হাজার টাকা বেশি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
- 📌 'পামপে' গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও গ্যারান্টারের পরিচয়পত্র জমা নেয়। কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়, এরপর ফোন লক করা হয়।
📰 বিস্তারিত
'পামপে' বাংলাদেশে স্মার্টফোন কেনার জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ তৈরি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণফোনের সঙ্গে যৌথভাবে কার্ডবিহীন কিস্তি ব্যবস্থা চালু করেছে। গ্রাহকদের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট দিয়ে সর্বোচ্চ নয় মাসে বাকি অর্থ পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়। প্রতি মাসে ২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হয়। তবে এই ব্যবস্থায় গ্রাহকদের ঋণের বোঝা বাড়ছে।
২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে 'পামপে' ১৯৪ কোটি টাকার বেশি ঋণ প্রদান করে ৯৬ হাজার গ্রাহককে স্মার্টফোন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ হাজার গ্রামীণ ও ৫২ হাজার শহরাঞ্চলের বাসিন্দা। প্রায় ৬৪ হাজার গ্রাহক ১৫ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল্যের ফোন কেনার জন্য ঋণ নিয়েছেন। এই ঋণ ব্যবস্থায় গ্রাহকদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করা হয় না। ফলে অনেকের জন্য ফোন দৈনন্দিন জীবনের জরুরি উপকরণ থেকে ঋণের বোঝায় পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত এই পাইলট প্রকল্পের অধীনে 'পামপে' গ্রাহকদের ঋণে ফেলে দেওয়া হচ্ছে টেকনো, ইনফিনিক্স ও আইটেল ব্র্যান্ডের ফোন। শুরুতে কম টাকা দিয়ে ফোন কেনার সুযোগ হলেও বাকি অর্থ কিস্তিতে সুদসহ পরিশোধ করতে হয়। কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ফোন লক করে দেয়া হয়। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ফোন দৈনন্দিন যোগাযোগের মাধ্যম থেকে ঋণের বোঝায় পরিণত হয়েছে।
"পামপে গ্রাহকদের কোন ধরনের ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে না। পামপে গ্রাহকদের জন্য কিস্তিভিত্তিক স্মার্টফোন ক্রয়ের সুবিধা প্রদান করে, যার আওতায় প্রযোজ্য চার্জ, কিস্তি পরিশোধের শর্ত এবং সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলি গ্রাহকদের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী অবহিত করা হয়। যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: 'পামপে' কর্তৃপক্ষ, গ্রাহকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৪ কোটি টাকা (ঋণ), ৯৬ হাজার (গ্রাহক), ৪৪ হাজার (গ্রামীণ), ৫২ হাজার (শহরাঞ্চল), ৬৪ হাজার (১৫ হাজার টাকা+ ফোন কেনা), ১৫% (ডাউনপেমেন্ট), ২% (মাসিক সুদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!