📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পদ্মার চরে ১০০ মেগাওয়াট সৌরকেন্দ্র: তেল-কয়লা থেকে ৫০% কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে বেসরকারি উদ্যোগ

পদ্মার চরে ১০০ মেগাওয়াট সৌরকেন্দ্র: তেল-কয়লা থেকে ৫০% কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে বেসরকারি উদ্যোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনার ভবানীপুরে ৪০০ একর জমিতে নির্মিত ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতি ইউনিটে ১৩ টাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে, যা তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৮ টাকা এবং কয়লাবিদ্যুতের ১৫ টাকার তুলনায় অনেক কম। নতুন সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখে সৌরবিদ্যুৎ খাতে সুবিধা প্রদান করছে।

পদ্মার চরে নির্মিত ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতি ইউনিটে মাত্র ১৩ টাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে, যা তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৮ টাকা এবং কয়লাবিদ্যুতের ১৫ টাকার তুলনায় প্রায় ৫০% কম খরচে। পাবনার ভবানীপুরে ৪০০ একর জমিতে নির্মিত এই কেন্দ্রটি দিনের বেলায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, যা দেশের জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পদ্মার চরে ৪০০ একর জমিতে নির্মিত ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতি ইউনিটে ১৩ টাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে, যা তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৮ টাকা এবং কয়লাবিদ্যুতের ১৫ টাকার তুলনায় কম খরচে।
  • 📌 ২০২১ সালে প্যারামাউন্ট গ্রুপের সঙ্গে ২০ বছরের চুক্তি অনুযায়ী প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম সাড়ে ১১ সেন্ট (বর্তমানে প্রায় ১৩ টাকা), যা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দরপত্র ছাড়াই অনুমোদিত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় অনেক কম।
  • 📌 বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং ছাদবিদ্যুতেও জোর দেওয়া হচ্ছে, যা আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সংকট কমাতে সাহায্য করবে।
  • 📌 ২০১২-১৩ অর্থবছরে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল মাত্র ২.৫৮ শতাংশ, কিন্তু বর্তমানে গ্রিডে যুক্ত নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের মাত্র ৪ শতাংশ।
  • 📌 ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৩.৩ শতাংশ বিনিয়োগ হয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে।

📰 বিস্তারিত

পদ্মার চরে নির্মিত এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি দিনের বেলায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশের জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালানোর খরচ বেড়ে গেছে। কিন্তু এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্যারামাউন্ট গ্রুপের সঙ্গে ২০২১ সালে করা ২০ বছরের চুক্তিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম সাড়ে ১১ সেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা বর্তমানে প্রায় ১৩ টাকা। অন্যদিকে, ফার্নেস তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি ইউনিটে ব্যয় ২৮ টাকার বেশি এবং কয়লাবিদ্যুতের খরচ প্রতি ইউনিট ১৫ টাকার আশপাশে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল দরপত্র ছাড়াই, ফলে সরঞ্জামের দামও বেশি ছিল। সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দরপত্র ডেকে প্রতি ইউনিট ৮ টাকার কম দরে চুক্তি করা গেছে। ফলে বর্তমানে এই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে।

বিপাকে পড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিকে কিছুটা জোর দেওয়া হয়েছিল সৌরবিদ্যুৎ খাতে। কিন্তু তাদের শাসনামলে মোট ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি হয়েছিল, যার অধিকাংশই জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক। বর্তমানে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ হাজার ৩৪৭ মেগাওয়াট, যার মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির (সৌর, পানি ও বায়ু) ১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৮৯ মেগাওয়াট। গ্রিডে যুক্ত মোট বিদ্যুতের মাত্র ৪ শতাংশ আসে নবায়নযোগ্য খাত থেকে।

"বর্তমান নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আগামী গ্রীষ্মের আগে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে ছাদবিদ্যুতে জোর দেওয়া হয়েছে। এতে অন্তত গত গ্রীষ্মের মতো ভোগান্তি হবে না।"

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, সরকারি জমিতে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বাগেরহাটের রামপালে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নির্ধারিত জমিতে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র অনুমোদন করেছে সরকার। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে এই খাতে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পদ্মার চর, পাবনার ভবানীপুর
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (প্রতিমন্ত্রী), প্যারামাউন্ট গ্রুপ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ মেগাওয়াট (সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র), ৪০০ একর (জমি), ১৩ টাকা (প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ), ২৮ টাকা (তেলচালিত বিদ্যুৎ), ১৫ টাকা (কয়লাবিদ্যুৎ), ১৩৬টি (জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖