📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীর গ্রামে বাতি-ফ্যান চালিয়ে এক লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল! মিটার ভুলে কীভাবে হয় এ রকম অদ্ভুত ঘটনা?

নোয়াখালীর গ্রামে বাতি-ফ্যান চালিয়ে এক লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল! মিটার ভুলে কীভাবে হয় এ রকম অদ্ভুত ঘটনা?

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার এক গ্রামে বাতি ও ফ্যান চালিয়ে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল আসার ঘটনা ঘটেছে। মিটার ভুলের কারণে এই অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের এক পরিবার বাতি ও ফ্যান চালিয়ে প্রতি মাসে মাত্র ১ হাজার টাকারও কম বিদ্যুৎ বিল দিতে পারত। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে তাদের বিল এসেছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা! এই অদ্ভুত ঘটনার পেছনে মিটার ভুলের দায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল আসার ঘটনা ঘটেছে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায়।
  • 📌 মাত্র তিনটি বাতি, দুটি ফ্যান ও একটি ফ্রিজ চালিয়ে গ্রাহক শহীদুল ইসলাম রনি প্রতি মাসে গড়ে ১৮৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করতেন।
  • 📌 সেপ্টেম্বরে মিটার দেখিয়েছে ৬ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার, যার ফলে বিলে লাখ টাকারও বেশি পরিমাণ আসে।
  • 📌 মিটারটি মৃত আবু তাহেরের নামে রেখে নাতি শহীদুল ইসলাম রনি ব্যবহার করছিলেন।
  • 📌 পল্লী বিদ্যুতের কর্মী জানিয়েছেন, বিল সংশোধনের জন্য কার্যালয়ে যেতে হবে।
  • 📌 চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক জুনায়েদুর রহমান বলেছেন, বিল ভুলবশত হয়েছে, শিগগিরই মিটার পরীক্ষা করা হবে।

📰 বিস্তারিত

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক শহীদুল ইসলাম রনি প্রতি মাসে মাত্র ১ হাজার ৩২৬ টাকা থেকে ১ হাজার ১০০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল দিতেন। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে হঠাৎ এক লাখ ১০ হাজার টাকার বিল আসার ঘটনা ঘটেছে। এই বিলের পেছনে মাত্র তিনটি বাতি, দুটি ফ্যান ও একটি ফ্রিজের ব্যবহার রয়েছে।

শহীদুল ইসলাম রনি জানান, তাদের পরিবারে কোনো ভারী বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নেই। গত পাঁচ মাসে গড়ে ১৮৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে। কিন্তু সেপ্টেম্বরে মিটার দেখিয়েছে ৬ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার। তিনি বলেন, ‘আমি নিয়মিত বিল পরিশোধ করতাম। কিন্তু এই বিল দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছি। বাতি-ফ্যান চালিয়ে কীভাবে এক লাখ টাকার বেশি বিল আসতে পারে?’

মিটারটি মৃত আবু তাহেরের নামে রেখে তার নাতি শহীদুল ইসলাম রনি ব্যবহার করছিলেন। পল্লী বিদ্যুতের কর্মী জানিয়েছেন, বিল সংশোধনের জন্য গ্রাহকের বাড়িতে যেতে হবে। কিন্তু গ্রাহক অভিযোগ করেছেন, কর্মী বিল সংশোধনের কথা বললেও কার্যালয়ে যেতে বলেছেন।

চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক জুনায়েদুর রহমান জানান, বিলের কপি না দেখে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। পরে বিলের কপি পাঠানো হলে তিনি বলেছেন, ‘এটি ভুলবশত হয়েছে। শিগগিরই ওই গ্রাহকের বাড়িতে বিদ্যুতের লোকজন গিয়ে মিটার পরীক্ষা করে আসবেন। গ্রাহকের বিল সংশোধন করে দেওয়া হবে।’

"আমি নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছি। চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিলের কপি হাতে পেয়ে হতবাক হয়ে যাই। বাতি-ফ্যান চালিয়ে কীভাবে এক লাখ টাকার বেশি বিল আসতে পারে। পল্লী বিদ্যুতের বিল প্রস্তুতে নিয়োজিত কর্মীদের গাফিলতি ও দায়িত্বহীন আচরণের কারণে এমন ভুতুড়ে বিল তৈরি হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হরিকৃষ্ণপুর গ্রাম, বদলকোট ইউনিয়ন, চাটখিল উপজেলা, নোয়াখালী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদুল ইসলাম রনি, জুনায়েদুর রহমান, আবু তাহের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা, ৬ হাজার ইউনিট, ১৮৭ ইউনিট, ১ হাজার ৩২৬ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖