📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীতে এক মাসে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার অদ্ভুত বিদ্যুৎ বিল: গ্রাহকদের হতবাকতা

নোয়াখালীতে এক মাসে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার অদ্ভুত বিদ্যুৎ বিল: গ্রাহকদের হতবাকতা

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় এক বাড়ির সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিল হঠাৎ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হয়ে গেছে। মাত্র ১৮৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে ৬ হাজার ইউনিট দেখানো হয়েছে। গ্রাহক শহীদুল ইসলাম দাবি করেছেন, পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে ঘটনাটি ঘটেছে

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় এক সাধারণ আবাসিক বাড়িতে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল হঠাৎ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হয়ে গেছে। মাত্র ১৮৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে ৬ হাজার ইউনিট দেখানো হয়েছে। এই অদ্ভুত ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার হতবাক হয়ে পড়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল পেয়েছেন নোয়াখালীর হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের শহীদুল ইসলাম ওরফে রনি।
  • 📌 ৫ মাস ধরে মাত্র ১৮৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও বিলে ৬ হাজার ইউনিট দেখানো হয়েছে।
  • 📌 মৃত আবু তাহেরের নামের মিটার ব্যবহার করছেন শহীদুল ইসলাম, কিন্তু বিল আসছে তার নামেই।
  • 📌 পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম জুনায়েদুর রহমান স্বীকার করেছেন, বিলের ভুলের জন্য দ্রুত পরীক্ষা করা হবে।
  • 📌 ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে ঘটনাটি ঘটেছে।

📰 বিস্তারিত

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামে অবস্থিত এক সাধারণ বাড়িতে সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিল হঠাৎ ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা হয়ে গেছে। এই বিলে ভ্যাট ও বিলম্ব মাশুলসহ সর্বমোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বেশি।

গ্রাহক শহীদুল ইসলাম ওরফে রনি জানান, তাদের পরিবার নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছে। তবে এই বিল দেখে তারা হতবাক হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সাধারণত বাতি, ফ্যান ও ফ্রিজ চালিয়ে মাত্র ১৮৭ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করি। কিন্তু বিলে ৬ হাজার ইউনিট দেখানো হয়েছে। এটা কীভাবে সম্ভব?’

শহীদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতা ও গাফিলতির কারণে এমন ভুতুড়ে বিল তৈরি হয়েছে। আমরা তাদের দরজায় দরজায় ঘুরব না, বরং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

বিল হাতে পাওয়ার পর গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমানের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি প্রথমে বিলের কপি না দেখে মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে গ্রাহকের মূল বিলের কপি পাওয়ার পর তিনি স্বীকার করেন, ‘এটি ভুলবশত হয়েছে। আমরা শিগগিরই ওই বাড়িতে লোক পাঠিয়ে মিটার পরীক্ষা করব এবং বিল সংশোধন করব।’

"আমরা নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছি। চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিলের কপি হাতে পেয়ে আমরা স্তম্ভিত হয়ে যাই। সাধারণ বাতি-ফ্যান চালিয়ে কীভাবে এক লাখ টাকার বেশি বিল আসতে পারে? পল্লী বিদ্যুতের বিল প্রস্তুতে নিয়োজিত কর্মীদের গাফিলতি ও চরম দায়িত্বহীন আচরণের কারণেই এমন ভুতুড়ে বিল তৈরি হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালী, চাটখিল উপজেলা, বদলকোট ইউনিয়ন, হরিকৃষ্ণপুর গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদুল ইসলাম ওরফে রনি, ডিজিএম জুনায়েদুর রহমান, আবু তাহের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা, ৬ হাজার ইউনিট, ১৮৭ ইউনিট, ৫ মাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖