📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের পুনরায় কার্যক্রমে বাংলাদেশে আবার ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে

নেপালের জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের পুনরায় কার্যক্রমে বাংলাদেশে আবার ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের পুনরায় কার্যক্রমে বাংলাদেশে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। বন্যার কারণে বন্ধ থাকা অবস্থায় ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আজ রাত ৮টায় প্রবাহিত হয়েছে

নেপালের জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের পুনরায় কার্যক্রমে বাংলাদেশে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার রাত ৮টায় নেপাল থেকে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়েছে। এটি প্রায় দুই মাসের বন্ধের পর প্রথমবার। বাংলাদেশের একমাত্র বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড পিএলসি সূত্রে জানা গেছে, এই বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট কিছুটা কমতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপাল থেকে বাংলাদেশে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে — আজ রাত ৮টায় ৩৮ মেগাওয়াট প্রবাহিত হয়েছে
  • 📌 গত ২৭ আগস্ট থেকে বন্যার কারণে নেপালের দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় সরবরাহ বন্ধ ছিল
  • 📌 চুক্তি অনুযায়ী ৪০ মেগাওয়াট সরবরাহের কথা থাকলেও বন্যার কারণে বর্তমানে ৩৮ মেগাওয়াট প্রবাহিত হচ্ছে
  • 📌 নেপালের ভোটেকোশি নদী এলাকায় ২৬ আগস্ট ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয়
  • 📌 বর্ষা মৌসুমে নেপাল গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করত, বর্তমানে তা প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে

📰 বিস্তারিত

গত ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা থাকলেও বন্যার কারণে দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হলে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। আজ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুনরায় সরবরাহ শুরু হয় এবং রাত ৮টায় ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। ভারতের সঞ্চালনব্যবস্থার মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশে পৌঁছায়।

নেপালের ভোটেকোশি নদী এলাকায় ২৬ আগস্ট ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে। এই দুর্যোগে নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২৮ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে নেপাল গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করত, কিন্তু বন্যার কারণে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ বহু বছর ধরে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে আসছে, বিশেষ করে শুষ্ক শীতের মাসগুলোয়। এখন নেপাল নিজেকে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। তবে বন্যার কারণে এই প্রচেষ্টায় কিছুটা বাধা পড়েছে।

"আজ রাত ৮টায় ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়েছে। এটি বন্যার কারণে বন্ধ থাকা অবস্থায় পুনরায় সরবরাহের সূচনা"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ, নেপাল, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পাওয়ার গ্রিড পিএলসি (বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ মেগাওয়াট (বর্তমান সরবরাহ), ৪০ মেগাওয়াট (চুক্তি অনুযায়ী), ২৭ আগস্ট (সরবরাহ বন্ধ), ১৫ জুন (সরবরাহ শুরু), ১ হাজার মেগাওয়াট (বর্ষা মৌসুমে নেপালের রপ্তানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖